হঠাৎ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল কিংবা সন্তানের স্কুলের বেতন অথবা হাসপাতালের খরচ। জরুরি মুহূর্তে হাতে টাকা না থাকলেও এবার এসব প্রয়োজন মেটানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে ব্যাংকিং অ্যাপেই।ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই ঋণের টাকা গ্রাহকের হাতে নগদ দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট জরুরি সেবার বিল সরাসরি পরিশোধ করা যাবে এই ঋণের মাধ্যমে।বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগটি ‘জরুরি পেমেন্ট সেবা’ হিসেবে চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আওতায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধের পাশাপাশি মোবাইল রিচার্জ সন্তানের স্কুলের বেতন হাসপাতালের বিল ডিপিএসের কিস্তি কিংবা বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধের মতো প্রয়োজন মেটানো যাবে।এই ঋণের অর্থ গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে না। ফলে ঋণের টাকা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করার সুযোগও থাকবে না।
আড়ও পড়ুন,সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দামে বড় লাফ
নির্দিষ্ট সেবার বিপরীতে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করা হবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই ঋণে কোনো সুদ নেওয়া হবে না। তবে নির্ধারিত হারে মাশুল দিতে হবে। ঋণের মেয়াদ হতে পারে সাত দিন ১৫ দিন অথবা সর্বোচ্চ ৩০ দিন।সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ নিলে সাত দিনের জন্য মাশুল হবে ৩৫ টাকা। ১৫ দিনের মেয়াদে দিতে হবে ৭০ টাকা। আর ৩০ দিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করলে সর্বোচ্চ মাশুল হবে ১৩০ টাকা।অর্থাৎ ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করলে গ্রাহককে মূল টাকার সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা মাশুল দিতে হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জরুরি সময়ে মানুষের সাময়িক তারল্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা মিলবে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ এবং কমতে পারে নগদ টাকার ওপর নির্ভরতা।তবে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করলেই সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ঋণ পাবেন না। কোন গ্রাহক কত টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন সে সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের লক্ষ্য জরুরি সময়ে গ্রাহকের অর্থসংকট সামাল দেওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সহজ ও ডিজিটাল করা।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হঠাৎ বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল কিংবা সন্তানের স্কুলের বেতন অথবা হাসপাতালের খরচ। জরুরি মুহূর্তে হাতে টাকা না থাকলেও এবার এসব প্রয়োজন মেটানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে ব্যাংকিং অ্যাপেই।ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এই ঋণের টাকা গ্রাহকের হাতে নগদ দেওয়া হবে না। নির্দিষ্ট জরুরি সেবার বিল সরাসরি পরিশোধ করা যাবে এই ঋণের মাধ্যমে।বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগটি ‘জরুরি পেমেন্ট সেবা’ হিসেবে চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আওতায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধের পাশাপাশি মোবাইল রিচার্জ সন্তানের স্কুলের বেতন হাসপাতালের বিল ডিপিএসের কিস্তি কিংবা বিমার প্রিমিয়াম পরিশোধের মতো প্রয়োজন মেটানো যাবে।এই ঋণের অর্থ গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবে জমা হবে না। ফলে ঋণের টাকা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করার সুযোগও থাকবে না।
আড়ও পড়ুন,সপ্তাহের ব্যবধানে সবজির দামে বড় লাফ
নির্দিষ্ট সেবার বিপরীতে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করা হবে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই ঋণে কোনো সুদ নেওয়া হবে না। তবে নির্ধারিত হারে মাশুল দিতে হবে। ঋণের মেয়াদ হতে পারে সাত দিন ১৫ দিন অথবা সর্বোচ্চ ৩০ দিন।সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ নিলে সাত দিনের জন্য মাশুল হবে ৩৫ টাকা। ১৫ দিনের মেয়াদে দিতে হবে ৭০ টাকা। আর ৩০ দিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করলে সর্বোচ্চ মাশুল হবে ১৩০ টাকা।অর্থাৎ ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করলে গ্রাহককে মূল টাকার সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা মাশুল দিতে হবে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জরুরি সময়ে মানুষের সাময়িক তারল্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা মিলবে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ এবং কমতে পারে নগদ টাকার ওপর নির্ভরতা।তবে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করলেই সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ঋণ পাবেন না। কোন গ্রাহক কত টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন সে সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের লক্ষ্য জরুরি সময়ে গ্রাহকের অর্থসংকট সামাল দেওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন লেনদেনকে আরও সহজ ও ডিজিটাল করা।

আপনার মতামত লিখুন