বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটার নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা।আন্তর্জাতিক তুলনায় দেখা যায়, মালয়েশিয়ার দামনসারা-শাহ আলম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা, শ্রীলঙ্কার পোর্ট অ্যাকসেস এলিভেটেড হাইওয়েতে ৮৩৭ কোটি টাকা, থাইল্যান্ডের রামা-৩ এক্সপ্রেসওয়েতে ৬১২ কোটি টাকা এবং ভারতের দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা।বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যয়ের দিক থেকে শীর্ষে থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশগত সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা এবং
আরও পড়ুন. জুলাইয়ের ২৬ দিনেই রেমিট্যান্স ২৪৩ কোটি ডলার, বেড়েছে ২৬ শতাংশ
আধুনিক অবকাঠামোগত সুবিধায় এখনও পিছিয়ে রয়েছে ঢাকা-আশুলিয়া প্রকল্প।বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, বাংলাদেশে অনেক মেগা প্রকল্পে ব্যয় আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বেশি হলেও সেই অনুপাতে নির্মাণমান, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সক্ষমতা নিশ্চিত করা যায় না।অন্যদিকে বুয়েটের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান প্রশ্ন তুলেছেন প্রকল্পটির আর্থিক লাভজনকতা নিয়ে। তাঁর মতে, অনুমোদনের পর একই প্রকল্পে অতিরিক্ত প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা যুক্ত হওয়ায় এর আর্থিক কার্যকারিতা নতুন করে মূল্যায়ন করা জরুরি।তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, নতুন সংযোগপথ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা পরিবর্তন এবং তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল ও পাতালরেলের সঙ্গে সংযুক্তির কারণেই ব্যয় বেড়েছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশের ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটার নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ১২৭ কোটি টাকা।আন্তর্জাতিক তুলনায় দেখা যায়, মালয়েশিয়ার দামনসারা-শাহ আলম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা, শ্রীলঙ্কার পোর্ট অ্যাকসেস এলিভেটেড হাইওয়েতে ৮৩৭ কোটি টাকা, থাইল্যান্ডের রামা-৩ এক্সপ্রেসওয়েতে ৬১২ কোটি টাকা এবং ভারতের দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা।বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যয়ের দিক থেকে শীর্ষে থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশগত সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা এবং
আরও পড়ুন. জুলাইয়ের ২৬ দিনেই রেমিট্যান্স ২৪৩ কোটি ডলার, বেড়েছে ২৬ শতাংশ
আধুনিক অবকাঠামোগত সুবিধায় এখনও পিছিয়ে রয়েছে ঢাকা-আশুলিয়া প্রকল্প।বুয়েটের অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, বাংলাদেশে অনেক মেগা প্রকল্পে ব্যয় আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় বেশি হলেও সেই অনুপাতে নির্মাণমান, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ সক্ষমতা নিশ্চিত করা যায় না।অন্যদিকে বুয়েটের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান প্রশ্ন তুলেছেন প্রকল্পটির আর্থিক লাভজনকতা নিয়ে। তাঁর মতে, অনুমোদনের পর একই প্রকল্পে অতিরিক্ত প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা যুক্ত হওয়ায় এর আর্থিক কার্যকারিতা নতুন করে মূল্যায়ন করা জরুরি।তবে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, নতুন সংযোগপথ, ইউটিলিটি স্থানান্তর, নকশা পরিবর্তন এবং তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল ও পাতালরেলের সঙ্গে সংযুক্তির কারণেই ব্যয় বেড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন