বাংলাদেশের অর্থনীতি চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের পথে এগোলেও প্রবৃদ্ধির গতি খুব দ্রুত হবে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং জ্বালানি সংকটকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।এডিবির সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। যা আগের অর্থবছরের সম্ভাব্য ৩ দশমিক ৭ শতাংশের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও, অতীতের উচ্চ প্রবৃদ্ধির তুলনায় এখনও কম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির কিছুটা নিয়ন্ত্রণ,
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন নাহিদ রহমান
ব্যবসাবান্ধব সংস্কার, কর প্রশাসনের উন্নয়ন এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ অর্থনীতিকে ইতিবাচকভাবে সহায়তা করতে পারে।তবে মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসও বাড়িয়েছে এডিবি। চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় এবং বিনিময় হারজনিত চাপকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এডিবি আরও বলেছে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, রপ্তানি বাজারের ধীরগতি এবং জলবায়ু ঝুঁকি বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আর্থিক খাতে সুশাসন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং জ্বালানি খাতে কার্যকর সংস্কারই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
বিষয় : অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এশীয় উন্নয়ন

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের অর্থনীতি চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের পথে এগোলেও প্রবৃদ্ধির গতি খুব দ্রুত হবে না বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং জ্বালানি সংকটকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।এডিবির সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। যা আগের অর্থবছরের সম্ভাব্য ৩ দশমিক ৭ শতাংশের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও, অতীতের উচ্চ প্রবৃদ্ধির তুলনায় এখনও কম।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির কিছুটা নিয়ন্ত্রণ,
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন নাহিদ রহমান
ব্যবসাবান্ধব সংস্কার, কর প্রশাসনের উন্নয়ন এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ অর্থনীতিকে ইতিবাচকভাবে সহায়তা করতে পারে।তবে মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাসও বাড়িয়েছে এডিবি। চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় এবং বিনিময় হারজনিত চাপকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এডিবি আরও বলেছে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, রপ্তানি বাজারের ধীরগতি এবং জলবায়ু ঝুঁকি বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আর্থিক খাতে সুশাসন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং জ্বালানি খাতে কার্যকর সংস্কারই হবে আগামী দিনের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

আপনার মতামত লিখুন