মার্কিন নৌবাহিনীর কড়া নজরদারি উপেক্ষা করে এশিয়ায় পৌঁছেছে ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ।আন্তর্জাতিক সংস্থা TankerTrackers.com জানিয়েছে, প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি সফলভাবে দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা সম্পন্ন করেছে।ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির এই ভিএলসিসি শ্রেণির জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মধ্যেও গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।বর্তমানে জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আরও পড়ুন , হরমুজ প্রণালি খুলতে চায় ইরান, আগে অবরোধ তুলে নিতে বলছে যুক্তরাষ্ট্রকে
জাহাজটি যাত্রাপথে তার অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) বন্ধ রেখে চলাচল করেছে, যাতে নজরদারি এড়ানো যায় আল জাজিরা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘন করেছে।অন্যদিকে United States Navy দাবি করেছে, তারা ৪১টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।এছাড়া এটি প্রমাণ করে, কঠোর অবরোধের মধ্যেও বিকল্প কৌশল ব্যবহার করে তেল রপ্তানি চালিয়ে যেতে পারছে তেহরান।
বিষয় : নজরদারি যুক্তরাষ্ট্রে সুপারট্যাংকার

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
মার্কিন নৌবাহিনীর কড়া নজরদারি উপেক্ষা করে এশিয়ায় পৌঁছেছে ইরানের একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ।আন্তর্জাতিক সংস্থা TankerTrackers.com জানিয়েছে, প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি সফলভাবে দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা সম্পন্ন করেছে।ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির এই ভিএলসিসি শ্রেণির জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের মধ্যেও গন্তব্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়।বর্তমানে জাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি অতিক্রম করে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
আরও পড়ুন , হরমুজ প্রণালি খুলতে চায় ইরান, আগে অবরোধ তুলে নিতে বলছে যুক্তরাষ্ট্রকে
জাহাজটি যাত্রাপথে তার অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) বন্ধ রেখে চলাচল করেছে, যাতে নজরদারি এড়ানো যায় আল জাজিরা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত অন্তত ৫২টি ইরানি জাহাজ মার্কিন অবরোধ লঙ্ঘন করেছে।অন্যদিকে United States Navy দাবি করেছে, তারা ৪১টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন উত্তেজনা তৈরি করতে পারে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়াতে পারে।এছাড়া এটি প্রমাণ করে, কঠোর অবরোধের মধ্যেও বিকল্প কৌশল ব্যবহার করে তেল রপ্তানি চালিয়ে যেতে পারছে তেহরান।

আপনার মতামত লিখুন