নারীরা শহরের রাস্তায় কতটা নিরাপদ— সেই বাস্তবতা যাচাই করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতের হায়দরাবাদ শহরের এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা। সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে মধ্যরাতে একা দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই পর্যবেক্ষণ করেন পরিস্থিতি। আর সেই অভিজ্ঞতা সামনে আনে উদ্বেগজনক চিত্র। মালকাজ়গিরির পুলিশ কমিশনার সুমতি, যিনি তেলঙ্গানা ক্যাডারের একজন সিনিয়র আইপিএস কর্মকর্তা, নারী নিরাপত্তা সরেজমিনে বোঝার জন্য নিজেই এই অভিযান পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালী সংকটে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, সমঝোতার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মালকাজ়গিরি থানার কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে সাধারণ নারীর বেশে একা অবস্থান করেন। এসময় তিনি নিজের পুলিশ পরিচয় গোপন রাখেন। এই তিন ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৪০ জন পুরুষ তার কাছে এগিয়ে আসে। কেউ কথা বলার চেষ্টা করে, কেউ কুপ্রস্তাব দেয়। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন তরুণ, এমনকি কয়েকজন ছাত্রও ছিলেন বলে জানা গেছে। কিছু ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তার সঙ্গে যোগাযোগেরও চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
তবে কেউই বুঝতে পারেননি, যার সঙ্গে তারা কথা বলছেন তিনি একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে শনাক্ত করে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাকা হয়। জনসমক্ষে নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে তাদের কঠোর সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঘুষ কেলেঙ্কারিতে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে নারীরা মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তব সমস্যাগুলো সামনে আনার পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, এটি সুমতির প্রথম এমন অভিযান নয়। কর্মজীবনের শুরুতে ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে কাজিপেট রেলস্টেশন এলাকাতেও তিনি একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
বিষয় : ভারত বাস্তবতা পুলিশ কমিশনার ছদ্মবেশ

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
নারীরা শহরের রাস্তায় কতটা নিরাপদ— সেই বাস্তবতা যাচাই করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন ভারতের হায়দরাবাদ শহরের এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা। সাধারণ নারীর ছদ্মবেশে মধ্যরাতে একা দাঁড়িয়ে তিনি নিজেই পর্যবেক্ষণ করেন পরিস্থিতি। আর সেই অভিজ্ঞতা সামনে আনে উদ্বেগজনক চিত্র। মালকাজ়গিরির পুলিশ কমিশনার সুমতি, যিনি তেলঙ্গানা ক্যাডারের একজন সিনিয়র আইপিএস কর্মকর্তা, নারী নিরাপত্তা সরেজমিনে বোঝার জন্য নিজেই এই অভিযান পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালী সংকটে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, সমঝোতার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
মধ্যরাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তিনি মালকাজ়গিরি থানার কাছে একটি বাসস্ট্যান্ডে সাধারণ নারীর বেশে একা অবস্থান করেন। এসময় তিনি নিজের পুলিশ পরিচয় গোপন রাখেন। এই তিন ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৪০ জন পুরুষ তার কাছে এগিয়ে আসে। কেউ কথা বলার চেষ্টা করে, কেউ কুপ্রস্তাব দেয়। তাদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন তরুণ, এমনকি কয়েকজন ছাত্রও ছিলেন বলে জানা গেছে। কিছু ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তার সঙ্গে যোগাযোগেরও চেষ্টা করেন।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
তবে কেউই বুঝতে পারেননি, যার সঙ্গে তারা কথা বলছেন তিনি একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অভিযোগের অপেক্ষায় না থেকে বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। অভিযানের পর সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে শনাক্ত করে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডাকা হয়। জনসমক্ষে নারীদের প্রতি আচরণ নিয়ে তাদের কঠোর সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ঘুষ কেলেঙ্কারিতে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
এই উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশেষ করে নারীরা মনে করছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তব সমস্যাগুলো সামনে আনার পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উল্লেখ্য, এটি সুমতির প্রথম এমন অভিযান নয়। কর্মজীবনের শুরুতে ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ হিসেবে কাজিপেট রেলস্টেশন এলাকাতেও তিনি একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন