ঘুষ নেওয়া ও দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN এ তথ্য জানিয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফু। তারা দুজনই চীনের সেনাবাহিনীর জেনারেল ছিলেন।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বলল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওয়েই ফেংহের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার পাশাপাশি ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি চীনা কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালী সংকটে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, সমঝোতার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
চীনের আইনে দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়, যদি দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে ভালো আচরণ করেন। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এই দুই সাবেক মন্ত্রীর বাকি জীবন কারাগারেই কাটতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সামরিক বাহিনীতে দুর্নীতি ও আনুগত্যহীনতা দমনে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, এই শাস্তি তারই অংশ।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
ওয়াশিংটনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর এক হিসাব অনুযায়ী, শুদ্ধি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১০০ জন ঊর্ধ্বতন চীনা কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন অথবা জনসমক্ষে দেখা যায়নি, যা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলার ইঙ্গিত দেয়।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
ঘুষ নেওয়া ও দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম CNN এ তথ্য জানিয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলেন ওয়েই ফেংহে এবং লি শাংফু। তারা দুজনই চীনের সেনাবাহিনীর জেনারেল ছিলেন।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বলল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ওয়েই ফেংহের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে লি শাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার পাশাপাশি ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি চীনা কর্তৃপক্ষ।
আরও পড়ুন, হরমুজ প্রণালী সংকটে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, সমঝোতার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প
চীনের আইনে দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত হয়, যদি দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে ভালো আচরণ করেন। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এই দুই সাবেক মন্ত্রীর বাকি জীবন কারাগারেই কাটতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সামরিক বাহিনীতে দুর্নীতি ও আনুগত্যহীনতা দমনে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন, এই শাস্তি তারই অংশ।
আরও পড়ুন, ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ বললেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র
ওয়াশিংটনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ-এর এক হিসাব অনুযায়ী, শুদ্ধি অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ১০০ জন ঊর্ধ্বতন চীনা কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন অথবা জনসমক্ষে দেখা যায়নি, যা তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলার ইঙ্গিত দেয়।

আপনার মতামত লিখুন