দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ট্রান্স-আটলান্টিক উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লসের সফর

ইরান যুদ্ধ ইস্যু, এপস্টেইন কেলেঙ্কারি এবং কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস। বাকিংহাম প্যালেস ও ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, চার দিনের এই সফর দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতীকী গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যখন তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন করছে, তখন এই সফরের তাৎপর্য আরও বেড়েছে।প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর আমন্ত্রণে এবং ব্রিটিশ সরকারের অনুরোধে এটি রাজা হিসেবে চার্লসের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় সফর। সফরে তার সঙ্গে থাকবেন রানী ক্যামিলা। তবে সফরের আগে লন্ডন ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ইরান যুদ্ধ, অভিবাসন ও জ্বালানি নীতি নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, যা ট্রান্স-আটলান্টিক সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।আরও পড়ুন, পাকিস্তানি সেনা অভিযানে ২২ জন তালেবান নিহতট্রাম্প অতীতে যুক্তরাজ্যের নীতি ও নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করে ‘বিশেষ সম্পর্ক’ আগের মতো নেই বলেও মন্তব্য করেছিলেন। অন্যদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এসব সমালোচনার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। এদিকে এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৮ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক এই সফরের বিরোধিতা করেছেন। তবে সরকার বলছে, রাজতন্ত্র দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।আরও পড়ুন, ‘রুচিহীন ও অনুপযুক্ত’ : ট্রাম্পকে ভারতের জবাবরাজা চার্লস মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিতে পারেন, যা ১৯৯১ সালের পর কোনো ব্রিটিশ রাজার দ্বিতীয় ভাষণ হবে।অন্যদিকে জেফ্রি এপস্টেইন কেলেঙ্কারি ও ব্রিটিশ রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ বিতর্কও এই সফরের ওপর অতিরিক্ত রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ট্রান্স-আটলান্টিক উত্তেজনায় যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লসের সফর