সিলেটের বিখ্যাত একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার—সাতকড়া দিয়ে গরুর মাংস।সাতকড়া-এর টক আর গরুর মাংসের মসলাদার স্বাদ—এই পদটিকে করে তুলেছে একেবারে অনন্য।প্রথমে কড়াইয়ে গরুর মাংস নিয়ে পেঁয়াজ, আদা-রসুন বাটা, মরিচ, হলুদ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে কষে নিতে হবে।কষানো হয়ে গেলে এতে যোগ করতে হবে সাতকড়া এবং পরিমাণমতো পানি। এরপর ধীরে ধীরে রান্না করতে হবে, যাতে সাতকড়ার টক স্বাদ পুরো মাংসে মিশে যায়।মাংস নরম হয়ে গেলে শেষে গরম মসলা দিয়ে নামিয়ে নিলেই প্রস্তুত মজাদার সাতকড়া বিফ।
আরও পড়ুন , বৃষ্টিতে মন ফুরফুরে হওয়ার কারণ কী
এই রান্নার মূল আকর্ষণ হচ্ছে সাতকড়ার আলাদা সুগন্ধ ও হালকা তিক্ত-টক স্বাদ, যা গরুর মাংসের সঙ্গে এক অসাধারণ ভারসাম্য তৈরি করে।রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মাংস ভালোভাবে কষানো। এতে মসলার স্বাদ গভীরভাবে মাংসের ভেতরে ঢুকে যায়। এরপর সাতকড়া দিয়ে ধীরে রান্না করলে এর ঘ্রাণ পুরো রান্নায় ছড়িয়ে পড়ে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রান্নায় বেশি পানি না দিয়ে ধীরে ধীরে রান্না করলে স্বাদ আরও ভালো আসে।ঘরে বসেই খুব সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় এই ঐতিহ্যবাহী পদ, যা যেকোনো বিশেষ দিনে খাবারের টেবিলে আনতে পারে ভিন্ন মাত্রা।
বিষয় : গরুর মাংস সাতকড়া টি ঐতিহ্যবাহী

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
সিলেটের বিখ্যাত একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার—সাতকড়া দিয়ে গরুর মাংস।সাতকড়া-এর টক আর গরুর মাংসের মসলাদার স্বাদ—এই পদটিকে করে তুলেছে একেবারে অনন্য।প্রথমে কড়াইয়ে গরুর মাংস নিয়ে পেঁয়াজ, আদা-রসুন বাটা, মরিচ, হলুদ, ধনিয়া ও জিরা গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে কষে নিতে হবে।কষানো হয়ে গেলে এতে যোগ করতে হবে সাতকড়া এবং পরিমাণমতো পানি। এরপর ধীরে ধীরে রান্না করতে হবে, যাতে সাতকড়ার টক স্বাদ পুরো মাংসে মিশে যায়।মাংস নরম হয়ে গেলে শেষে গরম মসলা দিয়ে নামিয়ে নিলেই প্রস্তুত মজাদার সাতকড়া বিফ।
আরও পড়ুন , বৃষ্টিতে মন ফুরফুরে হওয়ার কারণ কী
এই রান্নার মূল আকর্ষণ হচ্ছে সাতকড়ার আলাদা সুগন্ধ ও হালকা তিক্ত-টক স্বাদ, যা গরুর মাংসের সঙ্গে এক অসাধারণ ভারসাম্য তৈরি করে।রান্নার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মাংস ভালোভাবে কষানো। এতে মসলার স্বাদ গভীরভাবে মাংসের ভেতরে ঢুকে যায়। এরপর সাতকড়া দিয়ে ধীরে রান্না করলে এর ঘ্রাণ পুরো রান্নায় ছড়িয়ে পড়ে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রান্নায় বেশি পানি না দিয়ে ধীরে ধীরে রান্না করলে স্বাদ আরও ভালো আসে।ঘরে বসেই খুব সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় এই ঐতিহ্যবাহী পদ, যা যেকোনো বিশেষ দিনে খাবারের টেবিলে আনতে পারে ভিন্ন মাত্রা।

আপনার মতামত লিখুন