জীবনধারণের অন্যতম মৌলিক উপাদান পানি হলেও এই সাধারণ অভ্যাসেই লুকিয়ে থাকতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানি পান করার গতি ও ধরন শরীরের হজম প্রক্রিয়া ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত বা ঢকঢক করে পানি পান করলে শরীর তা সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না। ফলে হজমে ব্যাঘাত, গ্যাস, পেটফাঁপা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন, অপচয় কমিয়ে সঞ্চয় বাড়ানোর সহজ উপায়
চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত পানি পান করলে পাচকরস সাময়িকভাবে পাতলা হয়ে যায়, যার ফলে খাদ্য ভাঙার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে। এতে হজমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পেটের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা তুলনা করে বলেন, ধীরে ধীরে পানি পান করা অনেকটা গাছের মতো—যেমন গাছ মাটিতে ধীরে পানি শোষণ করে উপকার পায়, তেমনি শরীরও ধীরে পান করা পানি ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে। অন্যদিকে, ধীরে চুমুক দিয়ে পানি পান করলে শরীর অল্প অল্প করে সেটি গ্রহণ করতে পারে। এতে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে, লালার সঙ্গে মিশে পানি শরীরে প্রবেশ করায় হজম আরও সহজ হয় এবং শরীর দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড থাকে।
আরও পড়ুন, মেঘলা দিনে ঘরের উষ্ণতা : সহজ রেসিপিতে তৈরি করুন মাংসের ভুনা খিচুড়ি
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, সারাদিনে নিয়মিত বিরতিতে অল্প অল্প করে পানি পান করা উচিত। অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগার আগেই পানি পান করা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাদের মতে, বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই—দৈনন্দিন ছোট অভ্যাসেই শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। পানি পানের মতো সহজ অভ্যাসেও সচেতনতা আনলে হজমজনিত সমস্যা ও শারীরিক অস্বস্তি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
বিষয় : স্বাস্থ্যঝুঁকি হজম জীবনধারণ পানি পান

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
জীবনধারণের অন্যতম মৌলিক উপাদান পানি হলেও এই সাধারণ অভ্যাসেই লুকিয়ে থাকতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানি পান করার গতি ও ধরন শরীরের হজম প্রক্রিয়া ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্রুত বা ঢকঢক করে পানি পান করলে শরীর তা সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না। ফলে হজমে ব্যাঘাত, গ্যাস, পেটফাঁপা ও অস্বস্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
আরও পড়ুন, অপচয় কমিয়ে সঞ্চয় বাড়ানোর সহজ উপায়
চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত পানি পান করলে পাচকরস সাময়িকভাবে পাতলা হয়ে যায়, যার ফলে খাদ্য ভাঙার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে। এতে হজমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পেটের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা তুলনা করে বলেন, ধীরে ধীরে পানি পান করা অনেকটা গাছের মতো—যেমন গাছ মাটিতে ধীরে পানি শোষণ করে উপকার পায়, তেমনি শরীরও ধীরে পান করা পানি ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারে। অন্যদিকে, ধীরে চুমুক দিয়ে পানি পান করলে শরীর অল্প অল্প করে সেটি গ্রহণ করতে পারে। এতে হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে, লালার সঙ্গে মিশে পানি শরীরে প্রবেশ করায় হজম আরও সহজ হয় এবং শরীর দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড থাকে।
আরও পড়ুন, মেঘলা দিনে ঘরের উষ্ণতা : সহজ রেসিপিতে তৈরি করুন মাংসের ভুনা খিচুড়ি
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, সারাদিনে নিয়মিত বিরতিতে অল্প অল্প করে পানি পান করা উচিত। অতিরিক্ত তৃষ্ণা লাগার আগেই পানি পান করা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তাদের মতে, বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই—দৈনন্দিন ছোট অভ্যাসেই শরীর সুস্থ রাখা সম্ভব। পানি পানের মতো সহজ অভ্যাসেও সচেতনতা আনলে হজমজনিত সমস্যা ও শারীরিক অস্বস্তি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন