হিমালয়ের কোলঘেঁষা ভুটান এবার পর্যটন ও উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। দক্ষিণ ভুটানের গেলেফুতে গড়ে উঠছে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং উচ্চাভিলাষী ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প।এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভুটানকে আরও সহজলভ্য করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচন করার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।চলতি বছরের শুরুতে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক নিজেই ভারত সীমান্তের কাছে গেলেফু এলাকায় হাজারো স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে জঙ্গল পরিষ্কার অভিযানে অংশ নেন, যা এই প্রকল্পের সূচনাকে প্রতীকীভাবে চিহ্নিত করে।
আরও পড়ুন , ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে জনদুর্ভোগ
প্রস্তাবিত গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ২০২৯ সালের মধ্যে চালু হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এর নকশা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।বিমানবন্দরের ভেতরে থাকবে ভুটানি স্থাপত্যের ছোঁয়া, পাশাপাশি যোগ, ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তির বিশেষ সুবিধা।ভুটান দীর্ঘদিন ধরে‘উচ্চ মূল্য, স্বল্প পরিমাণ’পর্যটন নীতি অনুসরণ করে আসছে, যাতে পরিবেশ ও সংস্কৃতি রক্ষা করা যায়।বর্তমানে দেশটির একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পারো, যা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভুটান ২০৬০ সালের মধ্যে গেলেফু এলাকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাসযোগ্য একটি আধুনিক নগর গড়ে তুলতে চায়।
বিষয় : বিমানবন্দর ভুটান নতুন যুগ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
হিমালয়ের কোলঘেঁষা ভুটান এবার পর্যটন ও উন্নয়নের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। দক্ষিণ ভুটানের গেলেফুতে গড়ে উঠছে একটি বিশাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং উচ্চাভিলাষী ‘মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প।এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভুটানকে আরও সহজলভ্য করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য নতুন দ্বার উন্মোচন করার লক্ষ্য নিয়েছে দেশটি।চলতি বছরের শুরুতে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক নিজেই ভারত সীমান্তের কাছে গেলেফু এলাকায় হাজারো স্বেচ্ছাসেবকের সঙ্গে জঙ্গল পরিষ্কার অভিযানে অংশ নেন, যা এই প্রকল্পের সূচনাকে প্রতীকীভাবে চিহ্নিত করে।
আরও পড়ুন , ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে জনদুর্ভোগ
প্রস্তাবিত গেলেফু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ২০২৯ সালের মধ্যে চালু হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এর নকশা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।বিমানবন্দরের ভেতরে থাকবে ভুটানি স্থাপত্যের ছোঁয়া, পাশাপাশি যোগ, ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তির বিশেষ সুবিধা।ভুটান দীর্ঘদিন ধরে‘উচ্চ মূল্য, স্বল্প পরিমাণ’পর্যটন নীতি অনুসরণ করে আসছে, যাতে পরিবেশ ও সংস্কৃতি রক্ষা করা যায়।বর্তমানে দেশটির একমাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পারো, যা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।নতুন এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভুটান ২০৬০ সালের মধ্যে গেলেফু এলাকায় প্রায় ১০ লাখ মানুষের বসবাসযোগ্য একটি আধুনিক নগর গড়ে তুলতে চায়।

আপনার মতামত লিখুন