বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যুগের পর যুগ রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও সাধারণ শ্রমিকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
তিনি বলেন, প্রতি বছর শ্রমিক দিবসে রাজনৈতিক নেতারা শ্রমিকদের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বছরের বাকি সময় এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। তার ভাষায়, “১৪০ বছরে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সামান্য অংশও বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকদের আর কোনো দাবি অবশিষ্ট থাকত না।” শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি সমাজে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা ও প্রয়োজন উপেক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন নিয়ে সমালোচনা এনসিপির আখতার হোসেনের
বামপন্থি রাজনীতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, অনেক সময় শ্রমিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে কিছু নেতা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেন। আন্দোলনে সাধারণ শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নেতারা লাভবান হন—যা দুঃখজনক। তিনি বলেন, শ্রেণি-সংগ্রামের নামে বিভাজন নয়, বরং মালিক-শ্রমিকের পারস্পরিক সম্মান, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। মালিক যদি ন্যায্য আচরণ করে, শ্রমিকও সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে উৎপাদনে অবদান রাখবে—এমনটিই হওয়া উচিত।
আরও পড়ুন, নির্বাচন ছিল ‘চুক্তিভিত্তিক ও ভাগাভাগির’: ফয়জুল করীম
বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে যাওয়া শ্রমিকরা দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠালেও তারা যথাযথ মর্যাদা পান না। তাদের ‘যোদ্ধা’ বলা হলেও বাস্তবে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে।
বিষয় : নেতা শ্রমিক ডা. শফিকুর রহমান সমাবেশ

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যুগের পর যুগ রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিবর্তন হলেও সাধারণ শ্রমিকদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে এই সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
তিনি বলেন, প্রতি বছর শ্রমিক দিবসে রাজনৈতিক নেতারা শ্রমিকদের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বছরের বাকি সময় এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। তার ভাষায়, “১৪০ বছরে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সামান্য অংশও বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকদের আর কোনো দাবি অবশিষ্ট থাকত না।” শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি সমাজে শ্রমজীবী মানুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর মর্যাদা ও প্রয়োজন উপেক্ষা করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন নিয়ে সমালোচনা এনসিপির আখতার হোসেনের
বামপন্থি রাজনীতির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, অনেক সময় শ্রমিক আন্দোলনকে ব্যবহার করে কিছু নেতা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেন। আন্দোলনে সাধারণ শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নেতারা লাভবান হন—যা দুঃখজনক। তিনি বলেন, শ্রেণি-সংগ্রামের নামে বিভাজন নয়, বরং মালিক-শ্রমিকের পারস্পরিক সম্মান, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলা জরুরি। মালিক যদি ন্যায্য আচরণ করে, শ্রমিকও সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে উৎপাদনে অবদান রাখবে—এমনটিই হওয়া উচিত।
আরও পড়ুন, নির্বাচন ছিল ‘চুক্তিভিত্তিক ও ভাগাভাগির’: ফয়জুল করীম
বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে যাওয়া শ্রমিকরা দেশের জন্য রেমিট্যান্স পাঠালেও তারা যথাযথ মর্যাদা পান না। তাদের ‘যোদ্ধা’ বলা হলেও বাস্তবে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মরত শ্রমিকদের সুরক্ষা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে।

আপনার মতামত লিখুন