বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে নিয়ে জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি রাজনৈতিক শালীনতা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তারেক রহমানকে নিয়ে যে ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং উদ্বেগজনক।
আরও পড়ুন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা ও সেমিনার ২০২৬
ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম এবং মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য কেবল একজন জাতীয় নেতার প্রতি অসম্মান নয়, বরং দেশের সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তারা রাশেদ প্রধানকে তার বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন, ঢাবিতে প্রক্টরিয়াল টহল বন্ধ, নিরাপত্তা সংকট
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক বক্তব্যে সংযম ও শালীনতা বজায় রাখা জরুরি। অন্যথায় তা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নেতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয় এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইউট্যাব নেতারা বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে তা হতে হবে শালীন ও দায়িত্বশীল ভাষায়। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।
বিষয় : প্রতিবাদ ইউট্যাব জাগপা রাশেদ প্রধান

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে নিয়ে জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)। শনিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি রাজনৈতিক শালীনতা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে তারেক রহমানকে নিয়ে যে ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত এবং উদ্বেগজনক।
আরও পড়ুন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা ও সেমিনার ২০২৬
ইউট্যাবের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম এবং মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের বক্তব্য কেবল একজন জাতীয় নেতার প্রতি অসম্মান নয়, বরং দেশের সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তারা রাশেদ প্রধানকে তার বক্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক হলেও ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আরও পড়ুন, ঢাবিতে প্রক্টরিয়াল টহল বন্ধ, নিরাপত্তা সংকট
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক বক্তব্যে সংযম ও শালীনতা বজায় রাখা জরুরি। অন্যথায় তা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নেতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয় এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইউট্যাব নেতারা বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে তা হতে হবে শালীন ও দায়িত্বশীল ভাষায়। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহার করে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন