চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তাত্ত্বিক অংশ শেষ হলেও প্রশ্নপত্রের ভুল ও ভুল সেট বিতরণ নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। এবার প্রশ্নফাঁস বা নকলের অভিযোগ না থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একের পর এক প্রশ্নপত্র বিভ্রাট।
আরও পড়ুন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অচল পবিপ্রবি
সবশেষ গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় একাধিক ভুল ধরা পড়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশ্নের অন্তত কয়েকটি স্থানে গাণিতিক তথ্যগত ভুল ছিল, যার ফলে পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করেছে। এতে সঠিক উত্তর দেওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানিয়েছেন, সব অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রমাণিত হলে ভুল প্রশ্নের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর নম্বর কাটা হবে না। মূল্যায়নের সময় পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন, রাবিতে ছবি তোলা নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
এবার দেশের অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে ভুল বিষয় বা ভুল সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনা ঘটে। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে ভুল সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে সোনারগাঁও, বরিশাল, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, দিনাজপুর ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলায়। অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন বদলানো হয়, কোথাও আবার পুরো পরীক্ষাই ভুল প্রশ্নে শেষ হয়।
আরও পড়ুন, নর্থ সাউথে নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম ব্যাচের নবীনবরণ
এসব ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে একাধিক শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিবকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, শোকজও করা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। শিক্ষা বোর্ড বলছে, নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভুলের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির পক্ষে এ্যানির বক্তব্য
এদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগও প্রভাব ফেলেছে এবারের পরীক্ষায়। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা, কোথাও জলাবদ্ধতায় হাঁটুসমান পানিতে বসে পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই এখন বোর্ডের ন্যায়সঙ্গত মূল্যায়নের আশায় রয়েছেন।
বিষয় : এসএসসি ভুল প্রশ্নপত্র

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার তাত্ত্বিক অংশ শেষ হলেও প্রশ্নপত্রের ভুল ও ভুল সেট বিতরণ নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। এবার প্রশ্নফাঁস বা নকলের অভিযোগ না থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একের পর এক প্রশ্নপত্র বিভ্রাট।
আরও পড়ুন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অচল পবিপ্রবি
সবশেষ গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় একাধিক ভুল ধরা পড়ে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রশ্নের অন্তত কয়েকটি স্থানে গাণিতিক তথ্যগত ভুল ছিল, যার ফলে পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়ে অতিরিক্ত সময় নষ্ট করেছে। এতে সঠিক উত্তর দেওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানিয়েছেন, সব অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রমাণিত হলে ভুল প্রশ্নের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর নম্বর কাটা হবে না। মূল্যায়নের সময় পরীক্ষকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন, রাবিতে ছবি তোলা নিয়ে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
এবার দেশের অন্তত ৩০টি কেন্দ্রে ভুল বিষয় বা ভুল সেটের প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনা ঘটে। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে ভুল সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে সোনারগাঁও, বরিশাল, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, দিনাজপুর ও মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন জেলায়। অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন বদলানো হয়, কোথাও আবার পুরো পরীক্ষাই ভুল প্রশ্নে শেষ হয়।
আরও পড়ুন, নর্থ সাউথে নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম ব্যাচের নবীনবরণ
এসব ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে একাধিক শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিবকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, শোকজও করা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। শিক্ষা বোর্ড বলছে, নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা প্রশ্নপত্র থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভুলের কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির পক্ষে এ্যানির বক্তব্য
এদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগও প্রভাব ফেলেছে এবারের পরীক্ষায়। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা, কোথাও জলাবদ্ধতায় হাঁটুসমান পানিতে বসে পরীক্ষা দিতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই এখন বোর্ডের ন্যায়সঙ্গত মূল্যায়নের আশায় রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন