জাল বা ভুয়া সনদে চিহ্নিত হওয়ায় আরও ১৪১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসনের তিনটি অধিদপ্তর। নোটিশ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন মাদরাসা পর্যায়ের ১১৪ জন, কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষার ৩ জন শিক্ষক।
আরও পড়ুন, বিতর্কে প্রশ্নপত্রের ভুল ও অব্যবস্থাপনা
নোটিশে তাদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে—কেন তাদের এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অনুদান) বাতিল বা স্থগিত, নিয়োগ বাতিলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। রবিবার (২৪ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পৃথকভাবে এই নোটিশ জারি করে।
আরও পড়ুন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু ২৩ মে থেকে, চলবে ৬ জুন পর্যন্ত
এর আগে গত শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে একই ধরনের নোটিশ দেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) তদন্তে এসব শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া বলে শনাক্ত করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশসহ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন, আটক ঘটনার পর চবি ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার করল কেন্দ্রীয় কমিটি
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতেই এখন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ডিআইএ-এর চূড়ান্ত তদন্ত অনুযায়ী, দুই ধাপে মোট ৭৩৩ জন শিক্ষকের সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিষয় : শিক্ষক নোটিশ জাল বা ভুয়া সনদ

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
জাল বা ভুয়া সনদে চিহ্নিত হওয়ায় আরও ১৪১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসনের তিনটি অধিদপ্তর। নোটিশ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন মাদরাসা পর্যায়ের ১১৪ জন, কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষার ৩ জন শিক্ষক।
আরও পড়ুন, বিতর্কে প্রশ্নপত্রের ভুল ও অব্যবস্থাপনা
নোটিশে তাদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে—কেন তাদের এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অনুদান) বাতিল বা স্থগিত, নিয়োগ বাতিলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। রবিবার (২৪ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পৃথকভাবে এই নোটিশ জারি করে।
আরও পড়ুন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু ২৩ মে থেকে, চলবে ৬ জুন পর্যন্ত
এর আগে গত শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে একই ধরনের নোটিশ দেয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) তদন্তে এসব শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া বলে শনাক্ত করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশসহ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন, আটক ঘটনার পর চবি ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার করল কেন্দ্রীয় কমিটি
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয় এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশনার ভিত্তিতেই এখন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ডিআইএ-এর চূড়ান্ত তদন্ত অনুযায়ী, দুই ধাপে মোট ৭৩৩ জন শিক্ষকের সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন