রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করছে এবং রাষ্ট্রকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। তার দাবি, ইতিহাসে গণভোট কখনোই বৃথা যায়নি, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই নীতি উপেক্ষা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকলেও শিষ্টাচার জরুরি : সারজিস আলম
শফিকুর রহমান আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ ও সার সংকটের পেছনে নীতিগত ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক অনিয়ম রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি ও জ্বালানি ব্যয়ের কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করায় বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে।
আরও পড়ুন, নির্বাচনী ফল নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ তুললেন জামায়াত আমির
বিরোধীদলীয় নেতা আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা ও ব্যাংক খাতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি ব্যাংক খাত থেকে বিপুল অর্থ পাচারের বিষয় তুলে ধরে বলেন, অর্থনৈতিক অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সবশেষে তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে রাষ্ট্র পরিচালনা দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
বিষয় : সরকার গণভোট সমালোচনা ডা. শফিকুর রহমান

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার জনগণের মতামতকে অগ্রাহ্য করছে এবং রাষ্ট্রকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। তার দাবি, ইতিহাসে গণভোট কখনোই বৃথা যায়নি, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই নীতি উপেক্ষা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকলেও শিষ্টাচার জরুরি : সারজিস আলম
শফিকুর রহমান আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ ও সার সংকটের পেছনে নীতিগত ব্যর্থতা ও প্রশাসনিক অনিয়ম রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজি ও জ্বালানি ব্যয়ের কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করায় বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে।
আরও পড়ুন, নির্বাচনী ফল নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ তুললেন জামায়াত আমির
বিরোধীদলীয় নেতা আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন, ক্রীড়া সংস্থা ও ব্যাংক খাতে দলীয় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তিনি ব্যাংক খাত থেকে বিপুল অর্থ পাচারের বিষয় তুলে ধরে বলেন, অর্থনৈতিক অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সবশেষে তিনি সরকারকে সতর্ক করে বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে রাষ্ট্র পরিচালনা দীর্ঘস্থায়ী হয় না এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন