ইরানের সমুদ্রে আটকে থাকা তেল বিক্রির যে স্বল্পমেয়াদী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানায়, সমুদ্রে থাকা জাহাজে মজুদ তেলের ওপর দেওয়া আগের ছাড় নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর আর বাড়ানো হবে না।এদিকে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও পেট্রোকেমিক্যালস একাধিক জাহাজে মজুদ করে রেখেছিল ইরান।
আরো পড়ুন , যুদ্ধবিরতির আশার মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে তীব্র হামলা
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়।এই অবস্থায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে সরবরাহ চেইন সচল থাকে।কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই ছাড় আর নবায়ন করা হবে না। পাশাপাশি ‘ইকোনমিক ফিউরি’ নামে নতুন নীতির আওতায় ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করা দেশ বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।সব মিলিয়ে নতুন এই সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক তেল বাজারে আবারও অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি তেল বিক্রি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সমুদ্রে আটকে থাকা তেল বিক্রির যে স্বল্পমেয়াদী অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ’ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ জানায়, সমুদ্রে থাকা জাহাজে মজুদ তেলের ওপর দেওয়া আগের ছাড় নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর আর বাড়ানো হবে না।এদিকে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও পেট্রোকেমিক্যালস একাধিক জাহাজে মজুদ করে রেখেছিল ইরান।
আরো পড়ুন , যুদ্ধবিরতির আশার মাঝেই দক্ষিণ লেবাননে তীব্র হামলা
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়।এই অবস্থায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে সরবরাহ চেইন সচল থাকে।কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই ছাড় আর নবায়ন করা হবে না। পাশাপাশি ‘ইকোনমিক ফিউরি’ নামে নতুন নীতির আওতায় ইরানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করা দেশ বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে ওয়াশিংটন।সব মিলিয়ে নতুন এই সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক তেল বাজারে আবারও অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন