ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। কিন্তু দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা আরও বাড়ছে। সাধারণ মানুষ ভাবছে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতির ফলে লেবাননের উপর হামলা থামবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফলে মানুষের মধ্যে ভয় ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের একমাত্র সচল হাসপাতাল 'তেবনিন'-এ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুধু হাসপাতাল নয়, ঘরবাড়ি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ চলছে।
আরও পড়ুন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার সম্ভাবনা
জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমান্ত বা 'ব্লু লাইন' সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ইসরাইলি সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি তথাকথিত 'বাফার জোন' তৈরির লক্ষ্যেই ইসরাইল এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে। বর্তমানে লেবাননে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ মানুষই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধবিরতি বা কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন, সিঙ্গাপুরে বাড়ছে ‘ওভারকোয়ালিফাইড’ কর্মী, স্বেচ্ছায় নিচ্ছেন কম যোগ্যতার চাকরি
লেবাননের সাধারণ মানুষের দাবি একটাই—যুদ্ধবিরতি। কিন্তু কূটনীতিকদের আলোচনার টেবিল আর মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকায় আগামী দিনগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিষয় : হামলা লেবানন যুদ্ধবিরতি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ওয়াশিংটনে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। কিন্তু দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা আরও বাড়ছে। সাধারণ মানুষ ভাবছে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতির ফলে লেবাননের উপর হামলা থামবে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফলে মানুষের মধ্যে ভয় ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের একমাত্র সচল হাসপাতাল 'তেবনিন'-এ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুধু হাসপাতাল নয়, ঘরবাড়ি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ চলছে।
আরও পড়ুন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার সম্ভাবনা
জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমান্ত বা 'ব্লু লাইন' সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ইসরাইলি সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি তথাকথিত 'বাফার জোন' তৈরির লক্ষ্যেই ইসরাইল এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে। বর্তমানে লেবাননে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ মানুষই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধবিরতি বা কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন, সিঙ্গাপুরে বাড়ছে ‘ওভারকোয়ালিফাইড’ কর্মী, স্বেচ্ছায় নিচ্ছেন কম যোগ্যতার চাকরি
লেবাননের সাধারণ মানুষের দাবি একটাই—যুদ্ধবিরতি। কিন্তু কূটনীতিকদের আলোচনার টেবিল আর মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকায় আগামী দিনগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন