জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ও যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রামে কুমিল্লার জনগণের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বের বড় অংশই ছিল কুমিল্লার তরুণদের হাতে, যাদের সাহসী ও অকুতোভয় ভূমিকার ফলেই দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে।সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে এনসিপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।তরিকুল ইসলাম বলেন, সব স্তরে গেঁথে থাকা ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বলেই তারা বিশ্বাস করেন।তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে এনসিপি শুরু থেকেই সক্রিয় রয়েছে।
আরো পড়ুন , সরকার সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়: এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার
তারুণ্যের রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে দায়িত্ববোধ, সহিষ্ণুতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিটি স্তরে তরুণদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে, নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে পারছে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখতে পারছে।কুমিল্লার ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সুলতানি, মোগল ও ব্রিটিশ আমল থেকেই কুমিল্লা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েও দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে কুমিল্লার মানুষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।তিনি বর্তমান নগর সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, কুমিল্লা শহর অপরিকল্পিত নগরীতে পরিণত হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা, বাজার ব্যবস্থাপনা, আবাসন সংকট ও জননিরাপত্তা—সব মিলিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারীদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিষয় : জুলাই ফ্যাসিবাদী যুবশক্তি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘোষিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ও যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রামে কুমিল্লার জনগণের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বের বড় অংশই ছিল কুমিল্লার তরুণদের হাতে, যাদের সাহসী ও অকুতোভয় ভূমিকার ফলেই দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে।সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে এনসিপি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।তরিকুল ইসলাম বলেন, সব স্তরে গেঁথে থাকা ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বলেই তারা বিশ্বাস করেন।তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে এনসিপি শুরু থেকেই সক্রিয় রয়েছে।
আরো পড়ুন , সরকার সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়: এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার
তারুণ্যের রাজনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে দায়িত্ববোধ, সহিষ্ণুতা ও নাগরিক সমস্যা সমাধানের উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিটি স্তরে তরুণদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই আজ দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছে, নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে পারছে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখতে পারছে।কুমিল্লার ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, সুলতানি, মোগল ও ব্রিটিশ আমল থেকেই কুমিল্লা একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়েও দেশের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে কুমিল্লার মানুষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।তিনি বর্তমান নগর সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, কুমিল্লা শহর অপরিকল্পিত নগরীতে পরিণত হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা, বাজার ব্যবস্থাপনা, আবাসন সংকট ও জননিরাপত্তা—সব মিলিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ বাড়ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় নারীদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন