লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় অনেক মানুষ মারা গেছে। এই হামলায় অনেক লোক আহতও হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে কমপক্ষে ২৫৪ জন মারা গেছে এবং ১১৬৫ জন আহত হয়েছে। এই হামলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার কিছু ঘন্টা পরে। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি এই হামলাকে “পূর্ণমাত্রার যুদ্ধাপরাধ” বলেছেন।
আরও পড়ুন, ইরানের শর্তে যুদ্ধবিরতি ইসরাইলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা
নাবিহ বেরি বলেছেন, ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি, বেকা উপত্যকার বিশাল এলাকা, মাউন্ট লেবানন, সিদন এবং দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু গ্রামে হামলা চালিয়েছে। জনবহুল এসব এলাকায় হামলার ফলে অনেক বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে। নাবিহ বেরি আরও বলেছেন, “আজকের এই অপরাধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় পরীক্ষা এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন, রীতিনীতি ও কনভেনশনের প্রতি এক চরম অবজ্ঞা। ইসরায়েল নিরন্তরভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে এসব নিয়ম লঙ্ঘন করে চলেছে।"
আরও পড়ুন, ইরানকে অস্ত্র দিলে ৫০% শুল্ক—কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইসরায়েলের এই ব্যাপক বিমান হামলার আগে হিজবুল্লাহ কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ইসরায়েলে হামলা স্থগিত রেখেছে। হিজবুল্লাহর এ ঘোষণা সত্ত্বেও ইসরায়েলের বিমানবাহিনী মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তেহরান বলে আসছে, লেবানন ফ্রন্টও এই যুদ্ধবিরতির আওতায় রয়েছে। যদিও তা নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির বলেছেন, কোনো ধরনের আপস ছাড়াই হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় অনেক মানুষ মারা গেছে। এই হামলায় অনেক লোক আহতও হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে কমপক্ষে ২৫৪ জন মারা গেছে এবং ১১৬৫ জন আহত হয়েছে। এই হামলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার কিছু ঘন্টা পরে। লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি এই হামলাকে “পূর্ণমাত্রার যুদ্ধাপরাধ” বলেছেন।
আরও পড়ুন, ইরানের শর্তে যুদ্ধবিরতি ইসরাইলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা
নাবিহ বেরি বলেছেন, ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলি, বেকা উপত্যকার বিশাল এলাকা, মাউন্ট লেবানন, সিদন এবং দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু গ্রামে হামলা চালিয়েছে। জনবহুল এসব এলাকায় হামলার ফলে অনেক বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে। নাবিহ বেরি আরও বলেছেন, “আজকের এই অপরাধ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় পরীক্ষা এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন, রীতিনীতি ও কনভেনশনের প্রতি এক চরম অবজ্ঞা। ইসরায়েল নিরন্তরভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমে এসব নিয়ম লঙ্ঘন করে চলেছে।"
আরও পড়ুন, ইরানকে অস্ত্র দিলে ৫০% শুল্ক—কঠোর হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইসরায়েলের এই ব্যাপক বিমান হামলার আগে হিজবুল্লাহ কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং ইসরায়েলে হামলা স্থগিত রেখেছে। হিজবুল্লাহর এ ঘোষণা সত্ত্বেও ইসরায়েলের বিমানবাহিনী মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি বিমান হামলা চালিয়েছে। তেহরান বলে আসছে, লেবানন ফ্রন্টও এই যুদ্ধবিরতির আওতায় রয়েছে। যদিও তা নাকচ করে দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির বলেছেন, কোনো ধরনের আপস ছাড়াই হিজবুল্লাহর ওপর হামলা অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন