দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান সংকট ও বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। তারা তুলে ধরেন জ্বালানি সংকট, উচ্চ
সুদহার, কর কাঠামোর জটিলতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয়।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ব্যবসায়ীরা নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি—বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তারা।
আরো পড়ুন , মধ্যপ্রাচ্যের নির্ভরতা ঝুঁকিতে ফেলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার
এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ই-ভিসা চালু এবং বিমানবন্দরে ঝামেলামুক্ত প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি তোলেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এসব পদক্ষেপ জরুরি।অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর সংস্কার এবং করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে করব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে মাঝারি উদ্যোক্তাদের রফতানিতে উৎসাহ দিতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানি-রফতানি কার্যক্রম গতিশীল করতে গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এই সংলাপ দেশের অর্থনীতিতে গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের বর্তমান সংকট ও বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।বৈঠকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। তারা তুলে ধরেন জ্বালানি সংকট, উচ্চ
সুদহার, কর কাঠামোর জটিলতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের নানা সীমাবদ্ধতার বিষয়।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ব্যবসায়ীরা নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি—বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সরকারি সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান জানান তারা।
আরো পড়ুন , মধ্যপ্রাচ্যের নির্ভরতা ঝুঁকিতে ফেলেছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার
এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ই-ভিসা চালু এবং বিমানবন্দরে ঝামেলামুক্ত প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি তোলেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে এসব পদক্ষেপ জরুরি।অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআর সংস্কার এবং করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে করব্যবস্থাকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে মাঝারি উদ্যোক্তাদের রফতানিতে উৎসাহ দিতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানি-রফতানি কার্যক্রম গতিশীল করতে গভীর সমুদ্রবন্দর চালুর দাবি জানান ব্যবসায়ীরা।বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের এই সংলাপ দেশের অর্থনীতিতে গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন