দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

পর্বতারোহী ইকরামুল শাকিলের প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি

পর্বতারোহী ইকরামুল শাকিলের প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি
পর্বতারোহী ইকরামুল শাকিলের প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল। বুধবার তিনি ফেসবুক পোস্টে এই চিঠিটি প্রকাশ করেন। চিঠিটি নিচে তুলে ধরা হলো: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অগ্রিম অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানাই। আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আজ উচ্চতার শিখরে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি সকল স্তরের ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান, স্পোর্টস কার্ড এবং মাসিক ভাতার যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা প্রশংসার যোগ্য। এটি তৃণমূলের খেলোয়াড়দের জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ৩০ মার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো ক্রীড়া ভাতা চালু করেছে সরকার। বুধবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন, কাদা ছোড়াছুড়িতে জড়াবেন না

প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ১ লাখ টাকা করে ভাতা এবং ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গত এক বছরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য আনা ক্রীড়াবিদদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃতও করেছেন সরকারপ্রধান। এখন থেকে বিভিন্ন খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাতা পাবেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের ক্রীড়াবিদরা। তারা বলছেন, এ উদ্যোগের ফলে খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, এবং সবাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো করার চেষ্টা করবে। 

আমি একজন বাংলাদেশি পর্বতারোহী হিসেবে আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই একটি বিশেষ বিষয়ে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং এক্সট্রিম ও এন্ডুরেন্স অ্যাথলেটদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় আনার জন্য। আমি আমার অবস্থান থেকে এই স্পোর্টসের সবার হয়ে ভীষণ হতাশা নিয়ে লিখছি। গত বছরের ১৯ মে আমি ঐতিহাসিক সি টু সামিট এভারেস্ট অভিযান সম্পন্ন করেছি।

আরও পড়ুন, কর্পোরেট জগতে মাধুরী

সমুদ্রপৃষ্ঠ (ইনানী সৈকত) থেকে কোনো যানবাহন ছাড়া পায়ে হেঁটে ১৩৭২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে, ৩ কিলোমিটার যমুনা নদী সাঁতরে পার হয়ে ৮৪ দিনে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেছি, যা বিশ্ব এক্সট্রিম ও এন্ডুরেন্স ক্রীড়াঙ্গনে অত্যন্ত বিরল ও দুঃসাহসিক একটি রেকর্ড। এটি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরার প্রচেষ্টা। এ ছাড়া পৃথিবীর দুর্গমতম ও চ্যালেঞ্জিং হিমালয়ের ট্রেইল ‘দ্য গ্রেট হিমালয়ান ট্রেইল’-এর ১৭০০ কিলোমিটার পথ ১০৯ দিনে অতিক্রম করেছি, যা পৃথিবীতে ৫০ জনেরও কম পর্বতারোহী সম্পন্ন করতে পেরেছেন। এ ছাড়া হিমালয়ের দুর্গম পাঁচ, ছয়, সাত হাজার মিটারের পর্বত শিখরে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করেছি, যা এই স্পোর্টসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুধু সাফল্যই নয়, ইতিহাস তৈরি করেছে।

বর্তমানে আমার মতো অনেক পর্বতারোহীই বিশ্বের দুর্গমতম বিভিন্ন পর্বত শিখরে দেশের পতাকা তুলে ধরছে এবং তরুণ প্রজন্ম স্বপ্ন দেখছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে এই স্পোর্টসে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পর্বতারোহণ কেবল একটি সাধারণ খেলা নয়; এটি একটি এক্সট্রিম স্পোর্টস, যা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং খেলা হিসেবে স্বীকৃত। এই খেলার প্রতিটি পদক্ষেপে থাকে মৃত্যুর ঝুঁকি, কিন্তু হৃদয়ে থাকে দেশের নাম উজ্জ্বল করার অদম্য বাসনা। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সরকারের সাম্প্রতিক এই মহতী উদ্যোগের (ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা) তালিকায় পর্বতারোহণ এবং এন্ডুরেন্স স্পোর্টসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অতীতেও রাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য কোনো সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি, বরং বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পর্বতারোহণকে সর্বোচ্চ বীরত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হয় এবং এর জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি দেশের কথা উল্লেখ করতে পারি :

ভারত : পর্বতারোহীদের জন্য ‘তেনজিং নরগে ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়, যা দেশটির সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান ‘অর্জুন পুরস্কার’-এর সমতুল্য। এ ছাড়া পর্বতারোহী বাচেন্দ্রী পাল বা অরুনিমা সিনহার মতো অনেককে ‘পদ্মশ্রী’ বা ‘পদ্মভূষণ’-এর মতো সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানেও ভূষিত করা হয়েছে, যা স্বয়ং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক এভারেস্ট আরোহীকে ভারত কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ ভারতীয় রুপি অর্থ সহায়তাও দিয়ে থাকে।

আরও পড়ুন, নজর কাড়লেন প্রিয়াংকা

পাকিস্তান : পাকিস্তানে পর্বতারোহীদের অসামান্য অর্জনের জন্য বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়। ‘প্রাইড অব পারফরম্যান্স’ পাকিস্তানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। বিখ্যাত আরোহী নাজির সাবির এবং আশরাফ আমানসহ অনেকেই এই পদক পেয়েছেন। ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ ২০২৫-২৬ সালের তালিকায় দেখা গেছে, তরুণ আরোহী শেহরোজ কাশিফকে তার বীরত্বের জন্য এই উচ্চপদস্থ বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্য : এভারেস্ট বিজয়ী বা দুঃসাহসী আরোহীদের ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে ‘নাইটহুড’ (স্যার) বা ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ

বিষয় : সম্মাননা প্রধানমন্ত্রী পর্বতারোহী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


পর্বতারোহী ইকরামুল শাকিলের প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে একটি খোলা চিঠি লিখেছেন এভারেস্ট জয়ী পর্বতারোহী ইকরামুল হাসান শাকিল। বুধবার তিনি ফেসবুক পোস্টে এই চিঠিটি প্রকাশ করেন। চিঠিটি নিচে তুলে ধরা হলো: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অগ্রিম অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানাই। আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গন আজ উচ্চতার শিখরে পৌঁছেছে।

সম্প্রতি সকল স্তরের ক্রীড়াবিদদের সম্মাননা প্রদান, স্পোর্টস কার্ড এবং মাসিক ভাতার যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা প্রশংসার যোগ্য। এটি তৃণমূলের খেলোয়াড়দের জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ৩০ মার্চের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমবারের মতো ক্রীড়া ভাতা চালু করেছে সরকার। বুধবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আরও পড়ুন, কাদা ছোড়াছুড়িতে জড়াবেন না

প্রথম পর্যায়ে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে ১ লাখ টাকা করে ভাতা এবং ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গত এক বছরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য আনা ক্রীড়াবিদদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃতও করেছেন সরকারপ্রধান। এখন থেকে বিভিন্ন খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাতা পাবেন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। সরকারের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশের ক্রীড়াবিদরা। তারা বলছেন, এ উদ্যোগের ফলে খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, এবং সবাই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো করার চেষ্টা করবে। 

আমি একজন বাংলাদেশি পর্বতারোহী হিসেবে আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই একটি বিশেষ বিষয়ে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং এক্সট্রিম ও এন্ডুরেন্স অ্যাথলেটদের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও পৃষ্ঠপোষকতার আওতায় আনার জন্য। আমি আমার অবস্থান থেকে এই স্পোর্টসের সবার হয়ে ভীষণ হতাশা নিয়ে লিখছি। গত বছরের ১৯ মে আমি ঐতিহাসিক সি টু সামিট এভারেস্ট অভিযান সম্পন্ন করেছি।

আরও পড়ুন, কর্পোরেট জগতে মাধুরী

সমুদ্রপৃষ্ঠ (ইনানী সৈকত) থেকে কোনো যানবাহন ছাড়া পায়ে হেঁটে ১৩৭২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে, ৩ কিলোমিটার যমুনা নদী সাঁতরে পার হয়ে ৮৪ দিনে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেছি, যা বিশ্ব এক্সট্রিম ও এন্ডুরেন্স ক্রীড়াঙ্গনে অত্যন্ত বিরল ও দুঃসাহসিক একটি রেকর্ড। এটি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে এক অনন্য উচ্চতায় তুলে ধরার প্রচেষ্টা। এ ছাড়া পৃথিবীর দুর্গমতম ও চ্যালেঞ্জিং হিমালয়ের ট্রেইল ‘দ্য গ্রেট হিমালয়ান ট্রেইল’-এর ১৭০০ কিলোমিটার পথ ১০৯ দিনে অতিক্রম করেছি, যা পৃথিবীতে ৫০ জনেরও কম পর্বতারোহী সম্পন্ন করতে পেরেছেন। এ ছাড়া হিমালয়ের দুর্গম পাঁচ, ছয়, সাত হাজার মিটারের পর্বত শিখরে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার প্রতিনিধিত্ব করেছি, যা এই স্পোর্টসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুধু সাফল্যই নয়, ইতিহাস তৈরি করেছে।

বর্তমানে আমার মতো অনেক পর্বতারোহীই বিশ্বের দুর্গমতম বিভিন্ন পর্বত শিখরে দেশের পতাকা তুলে ধরছে এবং তরুণ প্রজন্ম স্বপ্ন দেখছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে পাল্লা দিয়ে এই স্পোর্টসে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পর্বতারোহণ কেবল একটি সাধারণ খেলা নয়; এটি একটি এক্সট্রিম স্পোর্টস, যা বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং খেলা হিসেবে স্বীকৃত। এই খেলার প্রতিটি পদক্ষেপে থাকে মৃত্যুর ঝুঁকি, কিন্তু হৃদয়ে থাকে দেশের নাম উজ্জ্বল করার অদম্য বাসনা। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সরকারের সাম্প্রতিক এই মহতী উদ্যোগের (ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা) তালিকায় পর্বতারোহণ এবং এন্ডুরেন্স স্পোর্টসকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অতীতেও রাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য কোনো সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি, বরং বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে পর্বতারোহণকে সর্বোচ্চ বীরত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হয় এবং এর জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি দেশের কথা উল্লেখ করতে পারি :

ভারত : পর্বতারোহীদের জন্য ‘তেনজিং নরগে ন্যাশনাল অ্যাডভেঞ্চার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়, যা দেশটির সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান ‘অর্জুন পুরস্কার’-এর সমতুল্য। এ ছাড়া পর্বতারোহী বাচেন্দ্রী পাল বা অরুনিমা সিনহার মতো অনেককে ‘পদ্মশ্রী’ বা ‘পদ্মভূষণ’-এর মতো সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানেও ভূষিত করা হয়েছে, যা স্বয়ং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক এভারেস্ট আরোহীকে ভারত কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার ১০ থেকে ১৫ লাখ ভারতীয় রুপি অর্থ সহায়তাও দিয়ে থাকে।

আরও পড়ুন, নজর কাড়লেন প্রিয়াংকা

পাকিস্তান : পাকিস্তানে পর্বতারোহীদের অসামান্য অর্জনের জন্য বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়। ‘প্রাইড অব পারফরম্যান্স’ পাকিস্তানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। বিখ্যাত আরোহী নাজির সাবির এবং আশরাফ আমানসহ অনেকেই এই পদক পেয়েছেন। ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ ২০২৫-২৬ সালের তালিকায় দেখা গেছে, তরুণ আরোহী শেহরোজ কাশিফকে তার বীরত্বের জন্য এই উচ্চপদস্থ বেসামরিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্য : এভারেস্ট বিজয়ী বা দুঃসাহসী আরোহীদের ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে ‘নাইটহুড’ (স্যার) বা ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত