ইমিগ্রেশন পুলিশের বর্বরতা রুখে দেওয়ার পাশাপাশি ‘আইস’ (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিলুপ্তির দাবিতে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘ন্যাশনাল শাটডাউন ক্যাম্পেইন’ নামে একটি অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।
ধর্মঘটের আহ্বানে বলা হয়েছে, শুক্রবার স্কুল খুলবে না। দোকান-পাট বন্ধ থাকবে। কেউ কাজেও যাবে না। ধর্মঘট চলাকালে একটিই স্লোগান হবে- ‘আইসের বিলুপ্তি চাই’ (নো মোর আইস)। দেশটির মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিকোল গুড ও আলেক্স প্রেটিট নিহত হওয়ার পর সারা যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে ধর্মঘট পালনের পাশাপাশি প্রতিদিনই বিক্ষোভ প্রদর্শিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, সৌদি আরব ইরান হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা
একই সঙ্গে গত চারদিনে নিউইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, লসএঞ্জেলেস, বোস্টনসহ অর্ধ-শতাধিক সিটিতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতেও বড় বড় সমাবেশ হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালে মিনিয়াপোলিসেই জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি বিক্ষোভ হয়েছিল। তবে সে সময় দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়নি। এদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র (প্রতিমন্ত্রী) ট্রিসিয়া ম্যাকললেন বলেছেন, আইসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়। সাম্প্রতিক সময়ে আইসের বিরুদ্ধে হামলা ও অপপ্রচারের ঘটনা ১৩০০ গুণ বেড়েছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ‘আইস’-এর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।
বিষয় : কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র ধর্মঘট

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
ইমিগ্রেশন পুলিশের বর্বরতা রুখে দেওয়ার পাশাপাশি ‘আইস’ (ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিলুপ্তির দাবিতে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে আগামী শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘ন্যাশনাল শাটডাউন ক্যাম্পেইন’ নামে একটি অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।
ধর্মঘটের আহ্বানে বলা হয়েছে, শুক্রবার স্কুল খুলবে না। দোকান-পাট বন্ধ থাকবে। কেউ কাজেও যাবে না। ধর্মঘট চলাকালে একটিই স্লোগান হবে- ‘আইসের বিলুপ্তি চাই’ (নো মোর আইস)। দেশটির মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিকোল গুড ও আলেক্স প্রেটিট নিহত হওয়ার পর সারা যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৬ জানুয়ারি মিনিয়াপলিসে ধর্মঘট পালনের পাশাপাশি প্রতিদিনই বিক্ষোভ প্রদর্শিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন, সৌদি আরব ইরান হামলায় আকাশসীমা ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা
একই সঙ্গে গত চারদিনে নিউইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি, লসএঞ্জেলেস, বোস্টনসহ অর্ধ-শতাধিক সিটিতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াতেও বড় বড় সমাবেশ হয়েছে। এর আগে ২০২০ সালে মিনিয়াপোলিসেই জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দীর্ঘমেয়াদি বিক্ষোভ হয়েছিল। তবে সে সময় দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়নি। এদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র (প্রতিমন্ত্রী) ট্রিসিয়া ম্যাকললেন বলেছেন, আইসের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়। সাম্প্রতিক সময়ে আইসের বিরুদ্ধে হামলা ও অপপ্রচারের ঘটনা ১৩০০ গুণ বেড়েছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ‘আইস’-এর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন