দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

মিরপুরে হোটেল নিউ গোল্ডেনে নারী বাণিজ্য ও সোহেলের দাপট

মিরপুরে হোটেল নিউ গোল্ডেনে নারী বাণিজ্য ও সোহেলের দাপট
হোটেল নিউ গোল্ডেনে নারী বাণিজ্য

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানাধীন মাজার রোড এলাকায় অবস্থিত হোটেল নিউ গোল্ডেন আবাসিককে ঘিরে নারী বাণিজ্য ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। হোটেলটির কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা এবং একাধিকবার সংবাদ প্রকাশের পরও অভিযোগগুলোর বিষয়ে দৃশ্যমান তদন্ত বা কার্যকর পদক্ষেপ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। 

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন হোটেলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সোহেল নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, হোটেলটিকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা আগত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং হোটেলের ভেতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। সাংবাদিকরা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাঁদেরও ওই চক্রের মুখোমুখি হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে হোটেলটির প্রকৃত কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযোগ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব হলো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অভিযোগ যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করা। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বাধা, ভয়ভীতি কিংবা প্রভাব বিস্তারের মুখে পড়তে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থে তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। হোটেলটির বৈধতা বা অনুমোদন রয়েছে কিনা সেটিও ক্ষতিয়ে দেখা উচিত। গতকাল একটি ভিডিও বার্তায় দেখা যায় একাধিক নারী নিয়ে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপরাধ করছে সোহেলসহ সোহেলের দালালচক্র।

হোটেল নিউ গোল্ডেনকে ঘিরে তথ্য সংগ্রহের সময় দালালচক্রের মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগও এ কারণে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। হোটেলটিতে কারা যাতায়াত করেন, কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়, প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহের সময় কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও আইনগত অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন: মিরপুর মাজার রোডে ‘নিউ গোল্ডেন’ হোটেল ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোটেলটির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে সোহেল প্রশাসন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ক্ষমতা প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি দাবি করেন যে স্থানীয় পুলিশ ও মহল্লার লোকজনকে জানিয়ে তিনি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে গেলে পরিণতি ভালো হবে না। এ ছাড়া তাঁর বক্তব্য হিসেবে প্রচারিত কথাবার্তায় নিজের প্রভাব সম্পর্কে আরও কঠোর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ রয়েছে। যদি সত্যিই কোনো ব্যক্তি প্রশাসনিক যোগাযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা স্থানীয় প্রভাবের কথা বলে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাওয়ার দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে। আইন সবার জন্য সমান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পরিচয় ও প্রভাবের কারণে আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।

রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে আইনসম্মত কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। কোনো হোটেলের বিরুদ্ধে নারী শোষণ, মানব পাচার, মাদক সরবরাহ কিংবা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?

এ ক্ষেত্রে হোটেলটির নিবন্ধন ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের বিধি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আইনসম্মত অনুসন্ধান করা যেতে পারে। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও আইনগত অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে। দারুস সালাম থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যোগসাজশের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। 

আরও পড়ুন: মালিবাগে ‘শিখর’ ও ‘সিটি প্যালেজ’ ঘিরে অভিযোগ

সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা দরকার। কোনো পক্ষ যদি ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি দিয়ে থাকে, তাহলে অভিযোগকারীদের উচিত প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা। সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা বজায় রেখে তথ্য সংগ্রহ, বক্তব্য যাচাই এবং প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, মিরপুরের মাজার রোডের হোটেল নিউ গোল্ডেনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা এখন গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার স্বার্থে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশিত। আরো বিস্তারিত আসছে...


বিষয় : মিরপুর অপরাধ হোটেল নিউ গোল্ডেন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


মিরপুরে হোটেল নিউ গোল্ডেনে নারী বাণিজ্য ও সোহেলের দাপট

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানাধীন মাজার রোড এলাকায় অবস্থিত হোটেল নিউ গোল্ডেন আবাসিককে ঘিরে নারী বাণিজ্য ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। হোটেলটির কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা এবং একাধিকবার সংবাদ প্রকাশের পরও অভিযোগগুলোর বিষয়ে দৃশ্যমান তদন্ত বা কার্যকর পদক্ষেপ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। 

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন হোটেলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সোহেল নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, হোটেলটিকে কেন্দ্র করে একটি দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা আগত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং হোটেলের ভেতরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। সাংবাদিকরা অভিযোগগুলোর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাঁদেরও ওই চক্রের মুখোমুখি হতে হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে হোটেলটির প্রকৃত কার্যক্রম সম্পর্কে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং অভিযোগ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীর-সায়েদাবাদ এলাকায় একাধিক আবাসিক হোটেল ঘিরে অভিযোগ

সাংবাদিকতার অন্যতম দায়িত্ব হলো জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট অভিযোগ যাচাই করা, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশ করা। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের বাধা, ভয়ভীতি কিংবা প্রভাব বিস্তারের মুখে পড়তে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থে তথ্য অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। হোটেলটির বৈধতা বা অনুমোদন রয়েছে কিনা সেটিও ক্ষতিয়ে দেখা উচিত। গতকাল একটি ভিডিও বার্তায় দেখা যায় একাধিক নারী নিয়ে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপরাধ করছে সোহেলসহ সোহেলের দালালচক্র।

হোটেল নিউ গোল্ডেনকে ঘিরে তথ্য সংগ্রহের সময় দালালচক্রের মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগও এ কারণে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। হোটেলটিতে কারা যাতায়াত করেন, কী ধরনের সেবা দেওয়া হয়, প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কি না এবং কোনো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্য সংগ্রহের সময় কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও আইনগত অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন: মিরপুর মাজার রোডে ‘নিউ গোল্ডেন’ হোটেল ঘিরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সিন্ডিকেট

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হোটেলটির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে সোহেল প্রশাসন, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল ও রাজনৈতিক পরিচয়ের ক্ষমতা প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি দাবি করেন যে স্থানীয় পুলিশ ও মহল্লার লোকজনকে জানিয়ে তিনি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে গেলে পরিণতি ভালো হবে না। এ ছাড়া তাঁর বক্তব্য হিসেবে প্রচারিত কথাবার্তায় নিজের প্রভাব সম্পর্কে আরও কঠোর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, অডিও-ভিডিও কিংবা অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ রয়েছে। যদি সত্যিই কোনো ব্যক্তি প্রশাসনিক যোগাযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা স্থানীয় প্রভাবের কথা বলে আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পাওয়ার দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে। আইন সবার জন্য সমান কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পরিচয় ও প্রভাবের কারণে আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।

রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে আইনসম্মত কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি প্রয়োজন। কোনো হোটেলের বিরুদ্ধে নারী শোষণ, মানব পাচার, মাদক সরবরাহ কিংবা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠলে তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: আব্দুল্লাহপুরের ‘গ্রীন গার্ডেন’: আবাসিক হোটেলের আড়ালে কী চলছে?

এ ক্ষেত্রে হোটেলটির নিবন্ধন ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন, অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণের বিধি, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং মাদকসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আইনসম্মত অনুসন্ধান করা যেতে পারে। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আর অভিযোগের সত্যতা না মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও আইনগত অধিকারও সুরক্ষিত রাখতে হবে। দারুস সালাম থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যোগসাজশের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। 

আরও পড়ুন: মালিবাগে ‘শিখর’ ও ‘সিটি প্যালেজ’ ঘিরে অভিযোগ

সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা দরকার। কোনো পক্ষ যদি ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হুমকি দিয়ে থাকে, তাহলে অভিযোগকারীদের উচিত প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা। সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা বজায় রেখে তথ্য সংগ্রহ, বক্তব্য যাচাই এবং প্রাসঙ্গিক নথি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। সব মিলিয়ে, মিরপুরের মাজার রোডের হোটেল নিউ গোল্ডেনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা এখন গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার স্বার্থে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট বক্তব্য ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশিত। আরো বিস্তারিত আসছে...



দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মিরপুরে হোটেল নিউ গোল্ডেনে নারী বাণিজ্য ও সোহেলের দাপট
0:00 0:00
1.0x