সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম জোরদার, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্তকরণ এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে সাতক্ষীরায় জেলা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ কমিটির সভায়। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন বিশ্বাস। সভায় গত মাসের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
আরও পড়ুন,থেমে নেই চৌদ্দ জামতলার কথিত মাদক সম্রাজ্ঞী মুন্নি'র মরণনেশা ইয়াবার বাজার
সভায় বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর কবির, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা, ওসিসি প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিক, সুশীলন এনজিওর উপপরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান এবং সাইবার ক্রাইম অ্যালার্ট টিমের লিডার শেখ মাহবুবুল হকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য। আলোচনায় সাইবার অপরাধের ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, কার্যকর ও সেবাবান্ধব সাইবার প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে।
সভায় প্রবাসীদের সাইবার অপরাধের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নিরাপদ ও সুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারে জনসচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে সহজবোধ্য সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করা এবং সরকারি আইন, নির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভায় আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা, দক্ষতা ও সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার করা। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বিষয় : প্রতিরোধ কার্যকর গুরুত্বারোপ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম জোরদার, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্তকরণ এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে সাতক্ষীরায় জেলা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ কমিটির সভায়। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন বিশ্বাস। সভায় গত মাসের সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার অপরাধের ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
আরও পড়ুন,থেমে নেই চৌদ্দ জামতলার কথিত মাদক সম্রাজ্ঞী মুন্নি'র মরণনেশা ইয়াবার বাজার
সভায় বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলমগীর কবির, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা, ওসিসি প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিক, সুশীলন এনজিওর উপপরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান এবং সাইবার ক্রাইম অ্যালার্ট টিমের লিডার শেখ মাহবুবুল হকসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য। আলোচনায় সাইবার অপরাধের ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র চিহ্নিত করা, কার্যকর ও সেবাবান্ধব সাইবার প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম নিশ্চিত করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাইবার নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি উঠে আসে।
সভায় প্রবাসীদের সাইবার অপরাধের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখা এবং নিরাপদ ও সুস্থ ইন্টারনেট ব্যবহারে জনসচেতনতা তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ লক্ষ্যে সহজবোধ্য সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার এবং প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এ ছাড়া সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করা এবং সরকারি আইন, নির্দেশনা ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভায় আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা, দক্ষতা ও সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার করা। সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সাইবার ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন