রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে সাংবাদিক পরিচয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বারবার চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের একজন নিজেকে ‘রূপান্তর টেলিভিশন’ নামের একটি চ্যানেলের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তিও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছিলেন বলে জানা গেছে।প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে সেখানে গিয়ে নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করে আসছিলেন। প্রথমদিকে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে তাদের দাবি অনুযায়ী একাধিকবার টাকা দেওয়া হয়। কোনো কোনো সময়ে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। কিন্তু অর্থ দেওয়ার পরও তাদের দাবির শেষ হয়নি। বরং পরবর্তী সময়ে আবারও অর্থ দাবি করা হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে ওই দুই থেকে চার জন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ, হয়রানি কিংবা বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টির ভয় দেখাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবির ধরন ও বারবার অর্থ চাওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা আবারও অর্থ দাবি করতে গেলে সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে দুজনকে মারধর করা হয়। ঘটনাটিকে ঘিরে বনানী এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি ব্যক্তিগত বা আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি পুরো গণমাধ্যম পেশার ভাবমূর্তির জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, মৌচাক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজন আটক
সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা এবং জনস্বার্থে সত্য প্রকাশ করা। কিন্তু কোনো ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ দাবি করলে তা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য হলে আইনগতভাবেও বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।এদিকে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তির পরিচয় ও তারা যে প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করার দাবি করছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, অনুমোদন এবং তাদের সাংবাদিক পরিচয়পত্রের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে। একইভাবে তারা সত্যিই কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কি না, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়েছে কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে আগে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল কি না এসব বিষয়ও যাচাই করা জরুরি।আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে কারও কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করলে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সেটি ফৌজদারি অপরাধের আওতায় পড়তে পারে। তবে কোনো ঘটনাকে চাঁদাবাজি হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করার আগে অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ, কল রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁদ গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগতের অভিযোগ
অন্যদিকে অভিযোগ থাকলেও কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মারধর করা সমাধান নয়। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। গণধোলাইয়ের ঘটনা নিজেও আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগের বিষয়। বনানীর এই ঘটনা আবারও সামনে এনেছে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা। প্রকৃত সাংবাদিকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে নানা ঝুঁকি নেন, তথ্য সংগ্রহ করেন এবং জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরেন। তাদের পরিচয়কে ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তার দায় কোনোভাবেই পুরো সাংবাদিক সমাজের ওপর বর্তানো উচিত নয়।সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তরা কোন গণমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করছিলেন, তাদের কাছে বৈধ পরিচয়পত্র ছিল কি না, প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কতবার ও কী পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে এবং অর্থ দেওয়ার কোনো নথি বা প্রমাণ রয়েছে কি না এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযোগের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে যেমন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তেমনি নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং সাংবাদিকতার পরিচয় অপব্যবহারের পথ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।এবিষয়ে তাদেও সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা প্রথমবার ফেঅন রিসিভ করলেও অঅর ফেঅন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বিষয় : মারধর চাঁদা দাবি সাংবাদিক লাঞ্ছিত

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে সাংবাদিক পরিচয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বারবার চাঁদা দাবির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের একজন নিজেকে ‘রূপান্তর টেলিভিশন’ নামের একটি চ্যানেলের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছিলেন। তার সঙ্গে থাকা অপর ব্যক্তিও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করছিলেন বলে জানা গেছে।প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময়ে সেখানে গিয়ে নানা অজুহাতে অর্থ দাবি করে আসছিলেন। প্রথমদিকে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে তাদের দাবি অনুযায়ী একাধিকবার টাকা দেওয়া হয়। কোনো কোনো সময়ে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। কিন্তু অর্থ দেওয়ার পরও তাদের দাবির শেষ হয়নি। বরং পরবর্তী সময়ে আবারও অর্থ দাবি করা হলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে ওই দুই থেকে চার জন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ, হয়রানি কিংবা বিভিন্ন ধরনের চাপ সৃষ্টির ভয় দেখাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবির ধরন ও বারবার অর্থ চাওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। একপর্যায়ে তারা আবারও অর্থ দাবি করতে গেলে সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে দুজনকে মারধর করা হয়। ঘটনাটিকে ঘিরে বনানী এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যদি ব্যক্তিগত বা আর্থিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি পুরো গণমাধ্যম পেশার ভাবমূর্তির জন্য উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, মৌচাক এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান ইয়াবা ও গাঁজাসহ তিনজন আটক
সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের তথ্য জানার অধিকার নিশ্চিত করা, অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরা এবং জনস্বার্থে সত্য প্রকাশ করা। কিন্তু কোনো ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ দাবি করলে তা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য হলে আইনগতভাবেও বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।এদিকে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তির পরিচয় ও তারা যে প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করার দাবি করছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, অনুমোদন এবং তাদের সাংবাদিক পরিচয়পত্রের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে। একইভাবে তারা সত্যিই কোনো গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কি না, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়োগ দিয়েছে কি না এবং তাদের বিরুদ্ধে আগে এ ধরনের অভিযোগ উঠেছিল কি না এসব বিষয়ও যাচাই করা জরুরি।আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে কারও কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করলে অভিযোগের ধরন অনুযায়ী সেটি ফৌজদারি অপরাধের আওতায় পড়তে পারে। তবে কোনো ঘটনাকে চাঁদাবাজি হিসেবে চূড়ান্তভাবে উল্লেখ করার আগে অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ, কল রেকর্ড, ভিডিও ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁদ গুলশানে বাহারের স্পা সেন্টার ঘিরে অন্ধকার জগতের অভিযোগ
অন্যদিকে অভিযোগ থাকলেও কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে মারধর করা সমাধান নয়। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। গণধোলাইয়ের ঘটনা নিজেও আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগের বিষয়। বনানীর এই ঘটনা আবারও সামনে এনেছে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহারের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা। প্রকৃত সাংবাদিকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে নানা ঝুঁকি নেন, তথ্য সংগ্রহ করেন এবং জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরেন। তাদের পরিচয়কে ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তার দায় কোনোভাবেই পুরো সাংবাদিক সমাজের ওপর বর্তানো উচিত নয়।সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তরা কোন গণমাধ্যমের পরিচয় ব্যবহার করছিলেন, তাদের কাছে বৈধ পরিচয়পত্র ছিল কি না, প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কতবার ও কী পরিমাণ অর্থ দাবি করা হয়েছে এবং অর্থ দেওয়ার কোনো নথি বা প্রমাণ রয়েছে কি না এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। বনানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এমন অভিযোগের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধ করলে যেমন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, তেমনি নিরপরাধ কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির বক্তব্য এবং পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং সাংবাদিকতার পরিচয় অপব্যবহারের পথ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি উঠেছে।এবিষয়ে তাদেও সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তারা প্রথমবার ফেঅন রিসিভ করলেও অঅর ফেঅন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন