ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার ম্যাকাইয়ে ভিন্ন কন্ডিশনের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে চার পেসার খেলবে বাংলাদেশ, নাকি তিন পেসারেই আস্থা রাখবে—ম্যাচের আগে এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।ম্যাকাইয়ের উইকেটে বাউন্স কিছুটা বেশি। সঙ্গে বাতাসও পেসারদের বাড়তি সহায়তা দিতে পারে। এমন কন্ডিশনে পেস আক্রমণ শক্তিশালী করার চিন্তা থাকলেও একাদশ নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।তার ভাষ্য, স্কোয়াডে থাকা পাঁচ পেসারই প্রস্তুত। ম্যাচের সকালে উইকেট দেখে দলের জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শান্ত জানান, ম্যাকাইয়ের উইকেট ভালো মনে হয়েছে এবং অনুশীলনের উইকেটের তুলনায় এখানে বাউন্স কিছুটা বেশি। একই সঙ্গে বাতাস কাজে লাগাতে পারলে পেসাররা বাড়তি সুইংও আদায় করতে পারবেন।
আরও পড়ুন.২০২৬ ব্যালন ডি’অর কাভারৎস্খেলিয়ার হাতে চান টনি ক্রুস
তবে শুধু পেসারদের ওপর নির্ভর করতে চাইছে না বাংলাদেশ। দলে থাকা দুই স্পিনারের সামর্থ্যের কথাও তুলে ধরেছেন অধিনায়ক। তার মতে, যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বল করার ক্ষমতা রয়েছে তাদের।ডারউনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের অন্যতম নায়ক ছিল পেস আক্রমণ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটই নিয়েছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। দ্বিতীয় ইনিংসেও হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের বোলিংয়ে চাপে ছিল স্বাগতিকরা।তাই ম্যাকাইয়ে চার পেসার খেলানোর সিদ্ধান্ত এলে সেটি হবে ডারউনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখারই চেষ্টা।এদিকে প্রথম টেস্টে চোটের কারণে বাইরে থাকা শরিফুল ইসলামও এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ভালো বোলিং করছেন তিনি। সুযোগ পেলে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সামর্থ্যও রয়েছে তার।সব মিলিয়ে ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পেসার থাকবেন কয়জন? চার পেসার হলে একাদশে ফিরতে পারেন শরিফুল। আর তিন পেসারে থাকলে ডারউনে সফল কম্বিনেশনই ধরে রাখার সম্ভাবনা বেশি।চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ম্যাচের সকালেই, উইকেট ও কন্ডিশন দেখে।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর এবার ম্যাকাইয়ে ভিন্ন কন্ডিশনের চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের সামনে। দ্বিতীয় টেস্টে একাদশে চার পেসার খেলবে বাংলাদেশ, নাকি তিন পেসারেই আস্থা রাখবে—ম্যাচের আগে এখন সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।ম্যাকাইয়ের উইকেটে বাউন্স কিছুটা বেশি। সঙ্গে বাতাসও পেসারদের বাড়তি সহায়তা দিতে পারে। এমন কন্ডিশনে পেস আক্রমণ শক্তিশালী করার চিন্তা থাকলেও একাদশ নিয়ে সরাসরি কিছু বলেননি অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।তার ভাষ্য, স্কোয়াডে থাকা পাঁচ পেসারই প্রস্তুত। ম্যাচের সকালে উইকেট দেখে দলের জন্য সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।শান্ত জানান, ম্যাকাইয়ের উইকেট ভালো মনে হয়েছে এবং অনুশীলনের উইকেটের তুলনায় এখানে বাউন্স কিছুটা বেশি। একই সঙ্গে বাতাস কাজে লাগাতে পারলে পেসাররা বাড়তি সুইংও আদায় করতে পারবেন।
আরও পড়ুন.২০২৬ ব্যালন ডি’অর কাভারৎস্খেলিয়ার হাতে চান টনি ক্রুস
তবে শুধু পেসারদের ওপর নির্ভর করতে চাইছে না বাংলাদেশ। দলে থাকা দুই স্পিনারের সামর্থ্যের কথাও তুলে ধরেছেন অধিনায়ক। তার মতে, যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বল করার ক্ষমতা রয়েছে তাদের।ডারউনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের অন্যতম নায়ক ছিল পেস আক্রমণ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটই নিয়েছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। দ্বিতীয় ইনিংসেও হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের বোলিংয়ে চাপে ছিল স্বাগতিকরা।তাই ম্যাকাইয়ে চার পেসার খেলানোর সিদ্ধান্ত এলে সেটি হবে ডারউনের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখারই চেষ্টা।এদিকে প্রথম টেস্টে চোটের কারণে বাইরে থাকা শরিফুল ইসলামও এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ভালো বোলিং করছেন তিনি। সুযোগ পেলে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সামর্থ্যও রয়েছে তার।সব মিলিয়ে ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—পেসার থাকবেন কয়জন? চার পেসার হলে একাদশে ফিরতে পারেন শরিফুল। আর তিন পেসারে থাকলে ডারউনে সফল কম্বিনেশনই ধরে রাখার সম্ভাবনা বেশি।চূড়ান্ত উত্তর মিলবে ম্যাচের সকালেই, উইকেট ও কন্ডিশন দেখে।

আপনার মতামত লিখুন