রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে স্বস্তি নেই। ডিম, সবজি, মাছ, মাংস এবং ব্রয়লার মুরগির উচ্চমূল্যে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ।শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই ডিমের দাম ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায়। সোনালি ৩২০ থেকে ৩৩০, লেয়ার ৩৪০ এবং গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি। খাসির মাংসের কেজি ১৩০০ টাকায় পৌঁছেছে।সবজির বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত। বেগুন ১০০ থেকে ১২০, গাজর ১২০, করলা ৮০ থেকে ১০০ এবং ঝিঙা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ৪২০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় কাঁচা মরিচ, ক্রেতাদের মুখে হাসি
ক্রেতারা বলছেন, আগের তুলনায় অনেক কম পণ্য কিনেও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। অনেকেই পরিবারের খাবারের তালিকা ছোট করতে বাধ্য হচ্ছেন।পোলট্রি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন্যায় খামার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার কারণে ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, কার্যকর বাজার তদারকি এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার না করলে মূল্য অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।
বিষয় : নিত্যপণ্যে আগুনে ব্রয়লার মুরগি

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে স্বস্তি নেই। ডিম, সবজি, মাছ, মাংস এবং ব্রয়লার মুরগির উচ্চমূল্যে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন সীমিত আয়ের মানুষ।শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই ডিমের দাম ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা।ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায়। সোনালি ৩২০ থেকে ৩৩০, লেয়ার ৩৪০ এবং গরুর মাংস ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি। খাসির মাংসের কেজি ১৩০০ টাকায় পৌঁছেছে।সবজির বাজারেও অস্বস্তি অব্যাহত। বেগুন ১০০ থেকে ১২০, গাজর ১২০, করলা ৮০ থেকে ১০০ এবং ঝিঙা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন, ৪২০ টাকা থেকে ১২০ টাকায় কাঁচা মরিচ, ক্রেতাদের মুখে হাসি
ক্রেতারা বলছেন, আগের তুলনায় অনেক কম পণ্য কিনেও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। অনেকেই পরিবারের খাবারের তালিকা ছোট করতে বাধ্য হচ্ছেন।পোলট্রি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বন্যায় খামার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, বিদ্যুৎ সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার কারণে ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, কার্যকর বাজার তদারকি এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার না করলে মূল্য অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হবে।

আপনার মতামত লিখুন