রাজধানীর বাজারে কাঁচা মরিচের দামে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অথচ দুই সপ্তাহ আগেও একই পণ্য বিক্রি হয়েছিল ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা পর্যন্ত।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নিয়মিত আমদানি এবং দেশের প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকে সরবরাহ বাড়ায় বাজারে চাপ কমেছে। পাইকারি বাজারে মরিচের জোগান বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম দ্রুত কমেছে।
আরও পড়ুন, সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন কমল
বিক্রেতারা জানান, বন্যার কারণে কিছু এলাকায় উৎপাদন ব্যাহত হলেও বর্তমানে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যাপ্ত মরিচ আসছে। ফলে সরবরাহ ঘাটতি নেই।ক্রেতারাও এই দরপতনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, কয়েক দিন আগেও সামান্য কাঁচা মরিচ কিনতে অতিরিক্ত খরচ করতে হতো। এখন দাম কমে আসায় রান্নার অন্যতম প্রয়োজনীয় এই পণ্য কেনা সহজ হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কৃষিপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সংরক্ষণাগার বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। তাতে ভবিষ্যতে এমন অস্বাভাবিক মূল্য ওঠানামা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।
বিষয় : কাঁচা মরিচ ক্রেতা নিত্যপ্রয়োজনী

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর বাজারে কাঁচা মরিচের দামে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজিতে ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অথচ দুই সপ্তাহ আগেও একই পণ্য বিক্রি হয়েছিল ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা পর্যন্ত।বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নিয়মিত আমদানি এবং দেশের প্রধান উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকে সরবরাহ বাড়ায় বাজারে চাপ কমেছে। পাইকারি বাজারে মরিচের জোগান বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম দ্রুত কমেছে।
আরও পড়ুন, সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন কমল
বিক্রেতারা জানান, বন্যার কারণে কিছু এলাকায় উৎপাদন ব্যাহত হলেও বর্তমানে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যাপ্ত মরিচ আসছে। ফলে সরবরাহ ঘাটতি নেই।ক্রেতারাও এই দরপতনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, কয়েক দিন আগেও সামান্য কাঁচা মরিচ কিনতে অতিরিক্ত খরচ করতে হতো। এখন দাম কমে আসায় রান্নার অন্যতম প্রয়োজনীয় এই পণ্য কেনা সহজ হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কৃষিপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সংরক্ষণাগার বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। তাতে ভবিষ্যতে এমন অস্বাভাবিক মূল্য ওঠানামা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন