যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন দেশটির মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের দিকে। আর সেই অপেক্ষার মধ্যেই মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দাম।মঙ্গলবার রাতে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৩১ ডলারে নেমে আসে। যদিও দিনের শুরুতে দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪৩৪ দশমিক ৮৪ ডলারে ওঠে। যা গত ৫ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৪১ দশমিক ১০ ডলারে স্থির হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার জন্য চলতি সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে বিনিয়োগকারীরা।
আরও পড়ুন. ডিজিটাল লেনদেনে নতুন যুগ: বাংলা কিউআরে আর কোনো মার্চেন্ট ফি নয়
বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআই এবং বৃহস্পতিবার আসবে উৎপাদক মূল্যসূচক বা পিপিআইয়ের তথ্য।এই তথ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে পারে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদহার নীতি। মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকলে স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।এর আগে জুলাইয়ের দুর্বল কর্মসংস্থান তথ্য প্রকাশের পর সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তন আসে। এর প্রভাবে গত শুক্রবার স্বর্ণের দাম এক লাফে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে যায়।তবে ফেডের সুদহার নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাজারে সেপ্টেম্বরে সুদহার বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে প্রায় ৭৯ শতাংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে ক্লিভল্যান্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট বেথ হ্যাম্যাক ধীরে ধীরে সুদহার বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ সাধারণত উচ্চ সুদহারে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কিছুটা কমে যায়।সব মিলিয়ে এখন স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী দিক নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ও ফেডের সুদহার নীতি
বিষয় : স্বর্ণের দাম বিশ্ববাজারে কমল

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার নীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন দেশটির মূল্যস্ফীতির গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের দিকে। আর সেই অপেক্ষার মধ্যেই মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দাম।মঙ্গলবার রাতে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭৬ দশমিক ৩১ ডলারে নেমে আসে। যদিও দিনের শুরুতে দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪৩৪ দশমিক ৮৪ ডলারে ওঠে। যা গত ৫ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৪১ দশমিক ১০ ডলারে স্থির হয়েছে।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার জন্য চলতি সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে বিনিয়োগকারীরা।
আরও পড়ুন. ডিজিটাল লেনদেনে নতুন যুগ: বাংলা কিউআরে আর কোনো মার্চেন্ট ফি নয়
বুধবার প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যসূচক বা সিপিআই এবং বৃহস্পতিবার আসবে উৎপাদক মূল্যসূচক বা পিপিআইয়ের তথ্য।এই তথ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে পারে ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদহার নীতি। মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকলে স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।এর আগে জুলাইয়ের দুর্বল কর্মসংস্থান তথ্য প্রকাশের পর সেপ্টেম্বরে ফেডের সুদহার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশায় পরিবর্তন আসে। এর প্রভাবে গত শুক্রবার স্বর্ণের দাম এক লাফে ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে যায়।তবে ফেডের সুদহার নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাজারে সেপ্টেম্বরে সুদহার বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় ৫০ শতাংশ এবং ডিসেম্বরে প্রায় ৭৯ শতাংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে ক্লিভল্যান্ড ফেডের প্রেসিডেন্ট বেথ হ্যাম্যাক ধীরে ধীরে সুদহার বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ সাধারণত উচ্চ সুদহারে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কিছুটা কমে যায়।সব মিলিয়ে এখন স্বর্ণের বাজারের পরবর্তী দিক নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ও ফেডের সুদহার নীতি

আপনার মতামত লিখুন