চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা, দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও জীবননগর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।স্থানীয়দের দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না।
আরও পড়ুন, ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় আহত পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
নতুন তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।
বিষয় : সিলিন্ডার এলপিজি সংকট জীবননগর

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে তীব্র এলপিজি সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়তি দাম দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। সরবরাহ না থাকায় বসুন্ধরা, ওমেরা, দুবাই-বাংলাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ডিলার পয়েন্টে ঝুলছে তালা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংকট চলায় এলপিজি ব্যবহারকারীদের মধ্যে রান্না নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগেও জীবননগর বাজারে ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৫০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তখন বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। তবে গত সপ্তাহের শুরু থেকে হঠাৎ সরবরাহ কমতে শুরু করে। সপ্তাহের শেষদিকে সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করে।স্থানীয়দের দাবি, রোববার এলপিজির নতুন মূল্য নির্ধারণের আগেই বাজারে থাকা কিছু সিলিন্ডার ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছে। এরপর গত তিন-চার দিন ধরে বাজারে এলপিজি প্রায় উধাও হয়ে গেছে। বাড়তি দাম দিতে রাজি থাকলেও অনেকেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না।
আরও পড়ুন, ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় আহত পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যু
নতুন তেঁতুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম জানান, তিনি জি-গ্যাস ব্যবহার করেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে জি-গ্যাসের সরবরাহ নেই। গ্যাসের সন্ধানে তাকে একাধিক দোকানে ঘুরতে হচ্ছে।তিনি বলেন, শহরের অধিকাংশ মানুষ ফ্ল্যাটবাড়িতে বসবাস করেন। সেখানে কাঠ বা খড়ি দিয়ে রান্নার সুযোগ নেই। ফলে এলপিজিই তাদের প্রধান ভরসা। বাজারে গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।দুবাই-বাংলা এলপিজির পরিবেশক মতিয়ার রহমান জানান, সরকারিভাবে প্রতি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়ানো হলেও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। সরবরাহ না থাকায় দোকান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।তিনি আরও জানান, বসুন্ধরা ও ওমেরা এলপিজির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না পরিবেশকেরা।

আপনার মতামত লিখুন