চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম তিন দিনেই দেশে ২০ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুতেই প্রবাসী আয় আসার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামগ্রিক হিসাবেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৮৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭৬৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
আরও পড়ুন, ৫ থেকে ২০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের
হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। শতকরা হিসাবে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি, প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা এবং দেশে অর্থ পাঠানোর অনুকূল পরিবেশের কারণে প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর প্রবণতা আরও বাড়ানো গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা সম্ভব।
বিষয় : রেমিট্যান্স প্রবাসী আয়

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম তিন দিনেই দেশে ২০ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবরের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি বছরের অক্টোবরের শুরুতেই প্রবাসী আয় আসার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামগ্রিক হিসাবেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৮৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭৬৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
আরও পড়ুন, ৫ থেকে ২০ অক্টোবর রাত ১০টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের
হিসাব অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে চলতি অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১১৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। শতকরা হিসাবে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি, প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা এবং দেশে অর্থ পাঠানোর অনুকূল পরিবেশের কারণে প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব রাখার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোর প্রবণতা আরও বাড়ানো গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন