দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

মাল্টা বেদানার দামে লাগাম নেই বাড়তি দামের ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

মাল্টা বেদানার দামে লাগাম নেই বাড়তি দামের ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
মাল্টা বেদানার দামে লাগাম নেই

দেশের খুচরা বাজারে আমদানিকৃত ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বিশেষ করে মাল্টা ও বেদানার দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বর্তমানে প্রতি কেজি মাল্টা ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা এবং বেদানা বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫২০ টাকা পর্যন্ত। অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মিসর থেকে প্রতি কেজি মাল্টা মাত্র ৭০ সেন্ট বা প্রায় ৮৭ টাকা দরে আমদানি করা হলেও খুচরা বাজারে সেটি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি দামে। ফলে আমদানি মূল্য ও খুচরা দামের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার সচিবালয়ে ফল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আমদানি মূল্য শুল্ক ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় যোগ করার পরও কীভাবে একটি মাল্টার দাম ৫২০ টাকায় পৌঁছায় ব্যবসায়ীদের কাছে তার ব্যাখ্যা চান তিনি।

আরও পড়ুন,১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা facebook sharing buttonmessenger sharing button

 একই সঙ্গে বাজারে অস্বাভাবিক দামে ফল বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ বাড়াতে ব্যবসায়ীদের আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি ফল আমদানিতে করভারই মূলত দাম বাড়ার বড় কারণ। তাদের হিসাবে পাঁচটি স্তরে সর্বমোট ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক-কর দিতে হয়। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল আমদানি করতে প্রায় ১২২ টাকা শুল্ক-কর দিতে হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন অতিরিক্ত শুল্ক ও লোকসানের আশঙ্কায় গত কয়েক মাসে মাল্টা আমদানি ব্যাপকভাবে কমেছে। আগে প্রতি সপ্তাহে ৭০ থেকে ৮০ কনটেইনার মাল্টা খালাস হলেও বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২ কনটেইনারে। তাদের দাবি সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও ফলের দাম বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ায় রোগীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে মাল্টা বেদানা ও ডাবের চাহিদাও বেড়েছে। এই বাড়তি চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেছেন শুল্ক কমার পরও অনেক সময় বাজারে দাম কমানো হয় না। বরং আমদানিকারক পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা একে অপরের ওপর দায় চাপান। তার মতে শুধু মৌখিক নির্দেশনা বা লোকদেখানো অভিযান নয় নিয়মিত ও কঠোর বাজার তদারকিই পারে ফলের দামে স্বস্তি ফেরাতে।

বিষয় : বাণিজ্যমন্ত্রী বেদানা মাল্টা

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


মাল্টা বেদানার দামে লাগাম নেই বাড়তি দামের ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশের খুচরা বাজারে আমদানিকৃত ফলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বিশেষ করে মাল্টা ও বেদানার দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বর্তমানে প্রতি কেজি মাল্টা ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা এবং বেদানা বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫২০ টাকা পর্যন্ত। অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও মিসর থেকে প্রতি কেজি মাল্টা মাত্র ৭০ সেন্ট বা প্রায় ৮৭ টাকা দরে আমদানি করা হলেও খুচরা বাজারে সেটি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি দামে। ফলে আমদানি মূল্য ও খুচরা দামের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার সচিবালয়ে ফল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আমদানি মূল্য শুল্ক ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় যোগ করার পরও কীভাবে একটি মাল্টার দাম ৫২০ টাকায় পৌঁছায় ব্যবসায়ীদের কাছে তার ব্যাখ্যা চান তিনি।

আরও পড়ুন,১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা facebook sharing buttonmessenger sharing button

 একই সঙ্গে বাজারে অস্বাভাবিক দামে ফল বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ বাড়াতে ব্যবসায়ীদের আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি ফল আমদানিতে করভারই মূলত দাম বাড়ার বড় কারণ। তাদের হিসাবে পাঁচটি স্তরে সর্বমোট ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক-কর দিতে হয়। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল আমদানি করতে প্রায় ১২২ টাকা শুল্ক-কর দিতে হয়। ব্যবসায়ীরা বলছেন অতিরিক্ত শুল্ক ও লোকসানের আশঙ্কায় গত কয়েক মাসে মাল্টা আমদানি ব্যাপকভাবে কমেছে। আগে প্রতি সপ্তাহে ৭০ থেকে ৮০ কনটেইনার মাল্টা খালাস হলেও বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২ কনটেইনারে। তাদের দাবি সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও ফলের দাম বাড়াচ্ছে। অন্যদিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ায় রোগীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে মাল্টা বেদানা ও ডাবের চাহিদাও বেড়েছে। এই বাড়তি চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেছেন শুল্ক কমার পরও অনেক সময় বাজারে দাম কমানো হয় না। বরং আমদানিকারক পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা একে অপরের ওপর দায় চাপান। তার মতে শুধু মৌখিক নির্দেশনা বা লোকদেখানো অভিযান নয় নিয়মিত ও কঠোর বাজার তদারকিই পারে ফলের দামে স্বস্তি ফেরাতে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মাল্টা বেদানার দামে লাগাম নেই বাড়তি দামের ব্যাখ্যা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x