দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ হাজার ৯৬১ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ হাজার ১৪৫ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার।দুই হিসাবের মধ্যে ব্যবধান প্রায় ৪ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,
আরও পড়ুন, সূচকের দাপটে শেয়ারবাজার, এক ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন ২৪৩ কোটি টাকা
গ্রস রিজার্ভে বিভিন্ন ধরনের সম্পদ ও দায় অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বিপিএম৬ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য ও তুলনাযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়। তাই বৈদেশিক খাতের প্রকৃত সক্ষমতা মূল্যায়নে বিপিএম৬ রিজার্ভকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা, রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারা এবং আমদানি ব্যয়ের চাপ আগামী দিনে রিজার্ভের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক লেনদেনের চাপ মোকাবিলা এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিষয় : ডলার ঊর্ধ্বমুখী স্বস্তির ইঙ্গিত

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম৬ হিসাবপদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ হাজার ৯৬১ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩২ হাজার ১৪৫ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার।দুই হিসাবের মধ্যে ব্যবধান প্রায় ৪ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতিবিদরা বলছেন,
আরও পড়ুন, সূচকের দাপটে শেয়ারবাজার, এক ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন ২৪৩ কোটি টাকা
গ্রস রিজার্ভে বিভিন্ন ধরনের সম্পদ ও দায় অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বিপিএম৬ পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য ও তুলনাযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়। তাই বৈদেশিক খাতের প্রকৃত সক্ষমতা মূল্যায়নে বিপিএম৬ রিজার্ভকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা, রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারা এবং আমদানি ব্যয়ের চাপ আগামী দিনে রিজার্ভের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক লেনদেনের চাপ মোকাবিলা এবং মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন