আমদানি লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনাগুলো একীভূত করে নতুন একটি এফই সার্কুলার প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার জারি করা এই সার্কুলারে গত বছরের এফই সার্কুলার নং-৩৩ হালনাগাদ করা হয়েছে। গত এক বছরে দেওয়া পরবর্তী নির্দেশনাগুলো এতে যুক্ত করে আমদানি সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান এক জায়গায় আনা হয়েছে।নতুন সার্কুলারে এলসি খোলা, অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ প্রেরণ, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি এবং আমদানি দায় পরিশোধের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সুপারিশ
এছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ, বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, রপ্তানি আয় সংরক্ষণ এবং বিশেষায়িত ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলার কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের আমদানি সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো বাতিল হবে। তবে আমদানি রিপোর্টিং সংক্রান্ত নির্দেশনা বহাল থাকবে।বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর আওতায় জারি করা এই নির্দেশনা আগামী এক বছর কার্যকর থাকবে।আরও অর্থনৈতিক আপডেট জানতে সঙ্গে থাকুন সংবাদ দিগন্তের সঙ্গে।
বিষয় : পরিবর্তন বাংলাদেশ ব্যাংক এফই সার্কুলার

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
আমদানি লেনদেনের ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিভিন্ন সময়ে জারি করা নির্দেশনাগুলো একীভূত করে নতুন একটি এফই সার্কুলার প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বৃহস্পতিবার জারি করা এই সার্কুলারে গত বছরের এফই সার্কুলার নং-৩৩ হালনাগাদ করা হয়েছে। গত এক বছরে দেওয়া পরবর্তী নির্দেশনাগুলো এতে যুক্ত করে আমদানি সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা বিধিবিধান এক জায়গায় আনা হয়েছে।নতুন সার্কুলারে এলসি খোলা, অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ প্রেরণ, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি এবং আমদানি দায় পরিশোধের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, আর্থিক স্বচ্ছতা বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সুপারিশ
এছাড়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ, বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, রপ্তানি আয় সংরক্ষণ এবং বিশেষায়িত ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের বিধানও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন সার্কুলার কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের আমদানি সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো বাতিল হবে। তবে আমদানি রিপোর্টিং সংক্রান্ত নির্দেশনা বহাল থাকবে।বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর আওতায় জারি করা এই নির্দেশনা আগামী এক বছর কার্যকর থাকবে।আরও অর্থনৈতিক আপডেট জানতে সঙ্গে থাকুন সংবাদ দিগন্তের সঙ্গে।

আপনার মতামত লিখুন