সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ও লেনদেন কমলেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক এবং লেনদেন—দুই-ই বেড়েছে।বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৮৩ পয়েন্টে নেমে আসে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমেছে।ডিএসইতে এদিন মোট ৯২৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪৮ কোটি টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন, মাছ-মুরগির ফিডে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নজরদারি, মিল ও বিক্রয়কেন্দ্রে পরীক্ষা
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৮২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭০টির।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৮০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ২৮ কোটি টাকা বেশি।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার বাজারে বিক্রির চাপ বাড়লেও চট্টগ্রামের বাজারে তুলনামূলকভাবে কিছুটা ক্রয়চাপ দেখা গেছে।
বিষয় : কার্যদিবস সূচক ও লেনদেন মিশ্র প্রবণতা

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক ও লেনদেন কমলেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক এবং লেনদেন—দুই-ই বেড়েছে।বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৮৮৩ পয়েন্টে নেমে আসে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমেছে।ডিএসইতে এদিন মোট ৯২৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪৮ কোটি টাকা কম। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন, মাছ-মুরগির ফিডে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে নজরদারি, মিল ও বিক্রয়কেন্দ্রে পরীক্ষা
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৮২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৭০টির।অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৮০৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ২৮ কোটি টাকা বেশি।বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার বাজারে বিক্রির চাপ বাড়লেও চট্টগ্রামের বাজারে তুলনামূলকভাবে কিছুটা ক্রয়চাপ দেখা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন