দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বোরো মৌসুম শেষ না হতেই চালের বাজারে আগুন, কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা

বোরো মৌসুম শেষ না হতেই চালের বাজারে আগুন, কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা
বোরো মৌসুম শেষ না হতেই চালের বাজারে আগুন

বোরো ধান কাটার মৌসুম শেষ না হতেই দেশের বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরু, মাঝারি ও মোটা—সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরু চাল নাজিরশাইল ও মিনিকেটের দাম একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে গত এক মাসে মাঝারি ও মোটা চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত।সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নাজিরশাইল ও মিনিকেট চালের দাম ্।

আরও  পড়ুন, জনশক্তি রপ্তানিতে শঙ্কা, সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে উদ্বেগ

কেজিতে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা। মাঝারি মানের পাইজাম ও আটাশ চাল ৫৫ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ইরি ও স্বর্ণা ৫২ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। অন্যদিকে মিলারদের দাবি, কৃষকদের কাছে ধান নেই, অধিকাংশ ধান এখন মজুতদারদের হাতে চলে গেছে। ফলে বেশি দামে ধান কিনতে হওয়ায় চালের দামও বেড়েছে।তবে সরকারের দাবি, বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারের হাতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

বিষয় : মিনিকেট বোরো ধান চালের দাম

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


বোরো মৌসুম শেষ না হতেই চালের বাজারে আগুন, কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৪ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

featured Image

বোরো ধান কাটার মৌসুম শেষ না হতেই দেশের বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরু, মাঝারি ও মোটা—সব ধরনের চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরু চাল নাজিরশাইল ও মিনিকেটের দাম একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে গত এক মাসে মাঝারি ও মোটা চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত।সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নাজিরশাইল ও মিনিকেট চালের দাম ্।

আরও  পড়ুন, জনশক্তি রপ্তানিতে শঙ্কা, সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে উদ্বেগ

কেজিতে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা। মাঝারি মানের পাইজাম ও আটাশ চাল ৫৫ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ইরি ও স্বর্ণা ৫২ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারি বাজারে চালের দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়েও দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। অন্যদিকে মিলারদের দাবি, কৃষকদের কাছে ধান নেই, অধিকাংশ ধান এখন মজুতদারদের হাতে চলে গেছে। ফলে বেশি দামে ধান কিনতে হওয়ায় চালের দামও বেড়েছে।তবে সরকারের দাবি, বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারের হাতে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত