দেশে অনলাইন ও অফলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের পথে এগিয়েছে সরকার। জেল-জরিমানার বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক জুয়া, বেটিং এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এসব কার্যক্রমের কারণে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতির পাশাপাশি অপরাধ প্রবণতাও বাড়ছে।
আরও পড়ুন,জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক
নতুন আইনে জুয়াখেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল ওয়ালেট, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ, বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের মতো বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ১৮৬৭ সালের পুরোনো ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’ সংশোধন করে আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে আইনের খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে জানিয়েছে সরকার।
বিষয় : অনুমোদন অনলাইন বেটিং জুয়া প্রতিরোধ

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
দেশে অনলাইন ও অফলাইন জুয়ার বিস্তার ঠেকাতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের পথে এগিয়েছে সরকার। জেল-জরিমানার বিধান রেখে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার দশম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক জুয়া, বেটিং এবং বিভিন্ন ধরনের অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এসব কার্যক্রমের কারণে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানসিক ক্ষতির পাশাপাশি অপরাধ প্রবণতাও বাড়ছে।
আরও পড়ুন,জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক
নতুন আইনে জুয়াখেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল ওয়ালেট, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ, বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের মতো বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। ১৮৬৭ সালের পুরোনো ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট’ সংশোধন করে আধুনিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে আইনের খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে জানিয়েছে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন