দেশের শ্রমবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বিদেশে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার প্রবণতা।মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং সৌদি আরবের নতুন কড়াকড়ির কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো—বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত প্রতি মাসে বিদেশে কর্মসংস্থানের ছাড়পত্র পাওয়া কর্মীর সংখ্যা ৪৪ হাজার থেকে ৬৫ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ইসলামী ব্যাংককে আরও ১,৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশেষ করে মার্চ মাসে এ সংখ্যা নেমে আসে মাত্র ৪৪ হাজার ৬৫৮ জনে।যদিও মে মাসে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ হাজার ১১৯ জনে পৌঁছেছে, তবুও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা প্রায় ৪৩ শতাংশ কম।খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী অর্থবছরে ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
দেশের শ্রমবাজারে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বিদেশে কর্মসংস্থান কমে যাওয়ার প্রবণতা।মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা এবং সৌদি আরবের নতুন কড়াকড়ির কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো—বিএমইটির তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত প্রতি মাসে বিদেশে কর্মসংস্থানের ছাড়পত্র পাওয়া কর্মীর সংখ্যা ৪৪ হাজার থেকে ৬৫ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
আরও পড়ুন, ইসলামী ব্যাংককে আরও ১,৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
বিশেষ করে মার্চ মাসে এ সংখ্যা নেমে আসে মাত্র ৪৪ হাজার ৬৫৮ জনে।যদিও মে মাসে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৬০ হাজার ১১৯ জনে পৌঁছেছে, তবুও আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তা প্রায় ৪৩ শতাংশ কম।খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী অর্থবছরে ১৪ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে।একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেটিও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন