সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্ককে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ না করার কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এক্সে মাস্কের বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গন।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের এক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে। ১৮ বছর বয়সী তরুণ হেনরি নোয়াক ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ তাকে সাহায্যের বদলে হাতকড়া পরিয়ে রাখে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে আদালতের শুনানি শেষে প্রকাশিত পুলিশের বডিক্যাম ভিডিওতে ঘটনাটি সামনে এলে দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।এমন পরিস্থিতিতে ইলন মাস্ক এক্সে পোস্ট করে পুলিশের আচরণের সমালোচনা করেন এবং শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের ইঙ্গিত দিয়ে মন্তব্য করেন, পশ্চিমা সমাজে কাউকে বর্ণবাদী বলা যেন খুন বা ধর্ষণের চেয়েও বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মাস্কের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে ইলন মাস্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে যুক্তরাজ্য এভাবে পরিচালিত হয় না।স্টারমার
আরো পড়ুন , দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: আহত বাংলাদেশির মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২
পুলিশের জবাবদিহিতার পক্ষে অবস্থান নিলেও বিক্ষোভের নামে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিহত হেনরির পরিবারও তাদের সন্তানের মৃত্যুকে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক বিভেদের হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়েছে।এটি অবশ্য স্টারমার ও মাস্কের প্রথম দ্বন্দ্ব নয়। আগেও একাধিক ইস্যুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের একজন ইলন মাস্ক।বর্তমানে মাস্কের স্পেসএক্স কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে বড় আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে এই টানাপোড়েন নতুন রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিষয় : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হস্তক্ষেপ না

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের মালিক ইলন মাস্ককে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ না করার কড়া বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এক্সে মাস্কের বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গন।ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের এক হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে। ১৮ বছর বয়সী তরুণ হেনরি নোয়াক ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ তাকে সাহায্যের বদলে হাতকড়া পরিয়ে রাখে বলে অভিযোগ ওঠে। পরে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে আদালতের শুনানি শেষে প্রকাশিত পুলিশের বডিক্যাম ভিডিওতে ঘটনাটি সামনে এলে দেশজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।এমন পরিস্থিতিতে ইলন মাস্ক এক্সে পোস্ট করে পুলিশের আচরণের সমালোচনা করেন এবং শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের ইঙ্গিত দিয়ে মন্তব্য করেন, পশ্চিমা সমাজে কাউকে বর্ণবাদী বলা যেন খুন বা ধর্ষণের চেয়েও বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।মাস্কের এই মন্তব্যের কড়া জবাব দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে ইলন মাস্ক ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে যুক্তরাজ্য এভাবে পরিচালিত হয় না।স্টারমার
আরো পড়ুন , দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: আহত বাংলাদেশির মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২
পুলিশের জবাবদিহিতার পক্ষে অবস্থান নিলেও বিক্ষোভের নামে সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিহত হেনরির পরিবারও তাদের সন্তানের মৃত্যুকে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক বিভেদের হাতিয়ার না বানানোর আহ্বান জানিয়েছে।এটি অবশ্য স্টারমার ও মাস্কের প্রথম দ্বন্দ্ব নয়। আগেও একাধিক ইস্যুতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের একজন ইলন মাস্ক।বর্তমানে মাস্কের স্পেসএক্স কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রে বড় আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময়ে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে এই টানাপোড়েন নতুন রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন