মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। যদিও ঘটনাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও এটিকে চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, দুটি নৌকায় মোট ৫০০ জনের বেশি আরোহী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকাগুলো।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির পর ফের সংঘর্ষ, ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের নতুন বক্তব্য
আরোহীদের মধ্যে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে যাওয়া কিছু শরণার্থীও ছিলেন।একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন ছিলেন, যা যাত্রার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায়। অন্য নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে যায়।ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বলেছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য বিপুল প্রাণহানি গভীর উদ্বেগের বিষয়।বর্তমানে নৌকায় থাকা ব্যক্তিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে পাড়ি দেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এটি আরেকটি মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
মিয়ানমারের উপকূলে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। যদিও ঘটনাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি, তবুও এটিকে চলমান মানবিক সংকটের ভয়াবহ উদাহরণ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, দুটি নৌকায় মোট ৫০০ জনের বেশি আরোহী ছিলেন। তাদের অধিকাংশই ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী।প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকাগুলো।
আরও পড়ুন, যুদ্ধবিরতির পর ফের সংঘর্ষ, ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের নতুন বক্তব্য
আরোহীদের মধ্যে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির থেকে যাওয়া কিছু শরণার্থীও ছিলেন।একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন ছিলেন, যা যাত্রার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ হয়ে যায়। অন্য নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে যায়।ইউএনএইচসিআর ও আইওএম বলেছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য বিপুল প্রাণহানি গভীর উদ্বেগের বিষয়।বর্তমানে নৌকায় থাকা ব্যক্তিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে পাড়ি দেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এটি আরেকটি মর্মান্তিক মানবিক বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন