ইরান খুব শিগগিরই পরাজিত হবে এবং তেহরান এখন সমঝোতার টেবিলে বসতে চায়—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাষ্ট্র কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা পরে জানানো হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।স্থানীয় সময় বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান আলোচনার পথে আসতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।তিনি আরও বলেন, “খুব শিগগিরই ইরান পরাজিত হবে। তারা খুব দ্রুত পরাজিত হবে।”এদিকে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার কথা থাকলেও মঙ্গলবার রাত থেকেই আবার সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন, রমুজে নৌ চলাচল নিয়ে ভিন্ন দাবি তেহরান ও ওয়াশিংটনের
এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা না করার নির্দেশ দিয়েছেন।তবে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ পুনর্দখলের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি তিনি। ট্রাম্প বলেন, যদি ইরানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করা যায়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার নতুন এই পর্যায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।
বিষয় : সমঝোতা যুদ্ধবিরতি পরাজিত

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ইরান খুব শিগগিরই পরাজিত হবে এবং তেহরান এখন সমঝোতার টেবিলে বসতে চায়—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে যুক্তরাষ্ট্র কী সিদ্ধান্ত নেবে, তা পরে জানানো হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।স্থানীয় সময় বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান আলোচনার পথে আসতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কী হবে, সে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।তিনি আরও বলেন, “খুব শিগগিরই ইরান পরাজিত হবে। তারা খুব দ্রুত পরাজিত হবে।”এদিকে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার কথা থাকলেও মঙ্গলবার রাত থেকেই আবার সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন, রমুজে নৌ চলাচল নিয়ে ভিন্ন দাবি তেহরান ও ওয়াশিংটনের
এর আগে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ইরানের তেল স্থাপনায় হামলা না করার নির্দেশ দিয়েছেন।তবে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ পুনর্দখলের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি তিনি। ট্রাম্প বলেন, যদি ইরানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করা যায়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার নতুন এই পর্যায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

আপনার মতামত লিখুন