রোববার (৩১ মে) সকালে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতক শিশুর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিদর্শন করে। একই সঙ্গে সরকার একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে।
আরও পড়ুন, দুই দিনে ডিএসসিসির ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থার ধারাবাহিক পরিদর্শন এবং বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতির কারণে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত কর্মীরা মানসিক চাপে ছিলেন। এতে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদেরও নানা ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৩০ মে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিদর্শন শেষে বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থ বিবেচনায় সাংবাদিকদের প্রবেশ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে কথোপকথনের সময় একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করলে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে তারা সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগ করার অনুরোধ জানান। এ সময় উপস্থিত হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সদরঘাটে অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনার কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
রোববার (৩১ মে) সকালে আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (এইচআর অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দুঃখ প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৭ মে হাসপাতালে ছয় নবজাতক শিশুর দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ হাসপাতাল পরিদর্শন করে। একই সঙ্গে সরকার একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে।
আরও পড়ুন, দুই দিনে ডিএসসিসির ২৩ হাজার ৭৯১ টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থার ধারাবাহিক পরিদর্শন এবং বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতির কারণে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত কর্মীরা মানসিক চাপে ছিলেন। এতে হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদেরও নানা ধরনের অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৩০ মে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিদর্শন শেষে বিপুল সংখ্যক সাংবাদিক হাসপাতালে প্রবেশের চেষ্টা করেন। চিকিৎসাধীন রোগীদের স্বার্থ বিবেচনায় সাংবাদিকদের প্রবেশ থেকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন, ঈদের তৃতীয় দিনেও ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, গাবতলী-কল্যাণপুরে ঘরমুখো যাত্রীর ভিড়
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে কথোপকথনের সময় একজন সাংবাদিক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ‘ঝাড়ুদার’ বলে সম্বোধন করলে তারা নিজেদের অপমানিত বোধ করেন এবং উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পরে তারা সাংবাদিকদের হাসপাতাল ত্যাগ করার অনুরোধ জানান। এ সময় উপস্থিত হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কর্মীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সদরঘাটে অজ্ঞান পার্টির সদস্য গ্রেপ্তার
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা সব সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করে। এরপরও ৩০ মে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, অনিচ্ছাকৃত এই ঘটনার কারণে গণমাধ্যমকর্মীরা যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, তবে তারা বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

আপনার মতামত লিখুন