যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বলয়ের ওপর আস্থা কমে যাওয়ায় এশিয়ার দেশগুলো এখন বিকল্প প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে—এমন আলোচনা জোরালো হয়েছে সিঙ্গাপুরে শুরু হওয়া শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনকে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অনিশ্চয়তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন কৌশলগত বাস্তবতা তৈরি করছে।
আরও পড়ুন, যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরাইলকে জাতিসংঘের ‘কালো তালিকাভুক্ত’
শাংরি-লা ডায়ালগ-এ এবারের আলোচনায় উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, পরাশক্তিগুলোর উত্তেজনা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ। সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই সম্মেলন আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার নিরাপত্তা একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত করতে পারবে কি না—এ নিয়ে মিত্র দেশগুলোর মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং বৈশ্বিক উত্তেজনা এই সংশয় আরও বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন, ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা, পাটখেত থেকে উদ্ধার আরও ২.২৪ কোটি
এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো বিকল্প প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অস্ত্র ক্রয়ের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ফিলিপাইন-এ ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনকে। একই সঙ্গে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ কোরিয়া-র সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও বাড়ছে।
কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ঘন ঘন পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে অস্পষ্টতা এ অঞ্চলের দেশগুলোকে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা কৌশলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে তাইওয়ানে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরানোর মতো বিষয়গুলো উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন, ভর্তুকি মূল্যে কোরবানির মাংস বিক্রির উদ্যোগ ইরানের
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে জাপান-ও আরও সক্রিয় প্রতিরক্ষা ভূমিকায় যাচ্ছে, যা চীন-এর জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। সব মিলিয়ে, এবারের শাংরি-লা সংলাপ এশিয়ায় এক নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে—যেখানে ছোট-বড় দেশগুলো আর একক কোনো পরাশক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে চাইছে না।
বিষয় : যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলন প্রতিরক্ষা

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বলয়ের ওপর আস্থা কমে যাওয়ায় এশিয়ার দেশগুলো এখন বিকল্প প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে—এমন আলোচনা জোরালো হয়েছে সিঙ্গাপুরে শুরু হওয়া শীর্ষ প্রতিরক্ষা সম্মেলনকে ঘিরে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির অনিশ্চয়তা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নতুন কৌশলগত বাস্তবতা তৈরি করছে।
আরও পড়ুন, যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরাইলকে জাতিসংঘের ‘কালো তালিকাভুক্ত’
শাংরি-লা ডায়ালগ-এ এবারের আলোচনায় উঠে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, পরাশক্তিগুলোর উত্তেজনা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ। সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত তিন দিনের এই সম্মেলন আয়োজন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ।
বিশ্লেষকদের মতে, ওয়াশিংটন ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার নিরাপত্তা একসঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে নিশ্চিত করতে পারবে কি না—এ নিয়ে মিত্র দেশগুলোর মধ্যেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং বৈশ্বিক উত্তেজনা এই সংশয় আরও বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন, ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা, পাটখেত থেকে উদ্ধার আরও ২.২৪ কোটি
এই প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো বিকল্প প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অস্ত্র ক্রয়ের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ফিলিপাইন-এ ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনকে। একই সঙ্গে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ কোরিয়া-র সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও বাড়ছে।
কূটনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ঘন ঘন পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা অগ্রাধিকারে অস্পষ্টতা এ অঞ্চলের দেশগুলোকে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা কৌশলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে তাইওয়ানে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরানোর মতো বিষয়গুলো উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন, ভর্তুকি মূল্যে কোরবানির মাংস বিক্রির উদ্যোগ ইরানের
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে জাপান-ও আরও সক্রিয় প্রতিরক্ষা ভূমিকায় যাচ্ছে, যা চীন-এর জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। সব মিলিয়ে, এবারের শাংরি-লা সংলাপ এশিয়ায় এক নতুন নিরাপত্তা বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে—যেখানে ছোট-বড় দেশগুলো আর একক কোনো পরাশক্তির ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে চাইছে না।

আপনার মতামত লিখুন