দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেতাকে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, কেনিয়ার আবাসিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ শিক্ষার্থী
মঙ্গলবার অভিযানের সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এরপর বুধবার তার বন্ধু শামীম গাজী-র পাটখেত থেকে পাঁচটি বস্তাভর্তি আরও ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন, যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরাইলকে জাতিসংঘের ‘কালো তালিকাভুক্ত’
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীপঙ্করের কাছে আরও অবৈধ সম্পদ, নগদ অর্থ ও সোনার গয়না থাকতে পারে। এসব সম্পদও উদ্ধার করে তদন্তের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে দীপঙ্কর রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং স্কুটার চালাতেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুন, ৮৮ দিনের পর ইরানে সীমিত ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে এলো
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। আবাসন প্রকল্প, রেশন কার্ড, ভাতা কর্মসূচিসহ নানা সরকারি সেবায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদ থেকে তাকে অপসারণের দাবিও তুলেছেন স্থানীয়দের একটি অংশ।
বিষয় : গ্রেপ্তার দুর্নীতি তৃণমূল কংগ্রেস দীপঙ্কর

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্য-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেতাকে বিপুল পরিমাণ অর্থসহ আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন, কেনিয়ার আবাসিক বিদ্যালয়ে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ শিক্ষার্থী
মঙ্গলবার অভিযানের সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এরপর বুধবার তার বন্ধু শামীম গাজী-র পাটখেত থেকে পাঁচটি বস্তাভর্তি আরও ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন, যৌন সহিংসতার অভিযোগে ইসরাইলকে জাতিসংঘের ‘কালো তালিকাভুক্ত’
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীপঙ্করের কাছে আরও অবৈধ সম্পদ, নগদ অর্থ ও সোনার গয়না থাকতে পারে। এসব সম্পদও উদ্ধার করে তদন্তের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে দীপঙ্কর রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন এবং স্কুটার চালাতেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন এবং একপর্যায়ে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুন, ৮৮ দিনের পর ইরানে সীমিত ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে এলো
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। আবাসন প্রকল্প, রেশন কার্ড, ভাতা কর্মসূচিসহ নানা সরকারি সেবায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদ থেকে তাকে অপসারণের দাবিও তুলেছেন স্থানীয়দের একটি অংশ।

আপনার মতামত লিখুন