ঢাকা-এ থার্মোমিটারের পারদ এখনো ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁতে পারেনি। কিন্তু রাজধানীবাসীর কাছে গরম যেন অসহনীয় এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও শরীরে অনুভূত হচ্ছে ৪২ ডিগ্রিরও বেশি। বাইরে বের হলেই মনে হচ্ছে আগুনের চুল্লির মধ্যে হাঁটছেন মানুষ।
আরও পড়ুন, পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেফতার ২
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বুধবার দুপুর ২টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যা ৭টায় ছিল ৩৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি। কিন্তু ‘রিয়েল ফিল’ বা অনুভূত তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির ওপরে উঠে যায়। অর্থাৎ শরীর যে গরম অনুভব করছে, তা রেকর্ড করা তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ডিএমপি কমিশনারের
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ‘হিট ইনডেক্স’ বা তাপ সূচক। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে শরীরের ঘাম সহজে শুকায় না। ফলে শরীরের তাপ বের হতে না পেরে অস্বস্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, এ সময় ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা অস্বাভাবিক নয়। তবে রাতের তাপমাত্রা না কমায় গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। গতকাল ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৬ ডিগ্রি বেশি।
সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলছেন, কালবৈশাখীর বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও দ্রুত মেঘ কেটে যাওয়ায় আবার গরম ফিরে আসছে। অন্যদিকে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের মতে, দখিনা বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীর বেশি ঘামছে, কিন্তু সেই ঘাম শুকাতে না পারায় ভ্যাপসা গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।
আরও পড়ুন, গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক
শুধু আবহাওয়া নয়, নগর পরিকল্পনার সমস্যাও ঢাকার গরম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাছপালা, খোলা জায়গা ও জলাভূমি হারিয়ে কংক্রিটের নগরীতে পরিণত হওয়ায় ঢাকা এখন ‘তাপীয় দ্বীপে’ রূপ নিচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শহরের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা আশপাশের তুলনায় ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জুন-জুলাই মাসেও এই ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকতে পারে। অর্থাৎ বর্ষাকাল এলেও খুব দ্রুত স্বস্তি মিলছে না রাজধানীবাসীর।

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
ঢাকা-এ থার্মোমিটারের পারদ এখনো ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁতে পারেনি। কিন্তু রাজধানীবাসীর কাছে গরম যেন অসহনীয় এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। প্রকৃত তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও শরীরে অনুভূত হচ্ছে ৪২ ডিগ্রিরও বেশি। বাইরে বের হলেই মনে হচ্ছে আগুনের চুল্লির মধ্যে হাঁটছেন মানুষ।
আরও পড়ুন, পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেফতার ২
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, বুধবার দুপুর ২টায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সন্ধ্যা ৭টায় ছিল ৩৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি। কিন্তু ‘রিয়েল ফিল’ বা অনুভূত তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির ওপরে উঠে যায়। অর্থাৎ শরীর যে গরম অনুভব করছে, তা রেকর্ড করা তাপমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।
আরও পড়ুন, রাজধানীতে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা ডিএমপি কমিশনারের
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতির মূল কারণ ‘হিট ইনডেক্স’ বা তাপ সূচক। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে শরীরের ঘাম সহজে শুকায় না। ফলে শরীরের তাপ বের হতে না পেরে অস্বস্তি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, এ সময় ৩৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা অস্বাভাবিক নয়। তবে রাতের তাপমাত্রা না কমায় গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। গতকাল ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৬ ডিগ্রি বেশি।
সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলছেন, কালবৈশাখীর বৃষ্টি সাময়িক স্বস্তি দিলেও দ্রুত মেঘ কেটে যাওয়ায় আবার গরম ফিরে আসছে। অন্যদিকে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের মতে, দখিনা বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় শরীর বেশি ঘামছে, কিন্তু সেই ঘাম শুকাতে না পারায় ভ্যাপসা গরম আরও অসহনীয় হয়ে উঠছে।
আরও পড়ুন, গুলশান বারিধারায় দোলার অবৈধ স্পা সেন্টার নিয়ে বিতর্ক
শুধু আবহাওয়া নয়, নগর পরিকল্পনার সমস্যাও ঢাকার গরম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাছপালা, খোলা জায়গা ও জলাভূমি হারিয়ে কংক্রিটের নগরীতে পরিণত হওয়ায় ঢাকা এখন ‘তাপীয় দ্বীপে’ রূপ নিচ্ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শহরের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা আশপাশের তুলনায় ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জুন-জুলাই মাসেও এই ভ্যাপসা গরম অব্যাহত থাকতে পারে। অর্থাৎ বর্ষাকাল এলেও খুব দ্রুত স্বস্তি মিলছে না রাজধানীবাসীর।

আপনার মতামত লিখুন