ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যেই চীন ও রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, গত বছরের শেষ দিকে চীনের ভূখণ্ডে গোপনে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার এবং কৌশলগত যুদ্ধ পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বেইজিংসহ চীনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর নানজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নোটিশ
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ জুলাই স্বাক্ষরিত একটি দ্বিভাষিক রুশ–চীনা চুক্তিতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিষয়টি উল্লেখ ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একই সংখ্যক চীনা সেনাকে রাশিয়ার সামরিক স্থাপনাতেও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। ইউরোপীয় এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সহযোগিতা ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথে পরোক্ষ প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে ড্রোন যুদ্ধকৌশলের উন্নয়নের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন, লেবানন যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জাতিসংঘের
তবে চীন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেন সংকটে তারা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর থেকেই বেইজিং ও মস্কোর মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ওই বছর যুদ্ধ শুরুর আগে দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ককে “সীমাহীন কৌশলগত অংশীদারি” হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
আরও পড়ুন, বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ১০০ শহরই ভারতে
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তি এখন যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছে, যা ইউক্রেন সংঘাতে বড় ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতিতে চীন–রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন তথ্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন চাপ তৈরি করছে।

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যেই চীন ও রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, গত বছরের শেষ দিকে চীনের ভূখণ্ডে গোপনে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার এবং কৌশলগত যুদ্ধ পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি বেইজিংসহ চীনের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা এবং পূর্বাঞ্চলীয় শহর নানজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে অভিষেক-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নোটিশ
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২ জুলাই স্বাক্ষরিত একটি দ্বিভাষিক রুশ–চীনা চুক্তিতে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির বিষয়টি উল্লেখ ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একই সংখ্যক চীনা সেনাকে রাশিয়ার সামরিক স্থাপনাতেও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। ইউরোপীয় এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, এই ধরনের সহযোগিতা ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথে পরোক্ষ প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে ড্রোন যুদ্ধকৌশলের উন্নয়নের মাধ্যমে।
আরও পড়ুন, লেবানন যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জাতিসংঘের
তবে চীন এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেন সংকটে তারা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আক্রমণের পর থেকেই বেইজিং ও মস্কোর মধ্যে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ওই বছর যুদ্ধ শুরুর আগে দুই দেশ নিজেদের সম্পর্ককে “সীমাহীন কৌশলগত অংশীদারি” হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
আরও পড়ুন, বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ১০০ শহরই ভারতে
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন প্রযুক্তি এখন যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছে, যা ইউক্রেন সংঘাতে বড় ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতিতে চীন–রাশিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন তথ্য আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন চাপ তৈরি করছে।

আপনার মতামত লিখুন