চলতি মে মাসে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির ও চরম হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে।একই সময়ে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং অন্তত একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশজুড়ে বাড়ছে নিষ্ঠুর অপরাধ মাদকের ভয়াল কিশোর গ্যাং
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মাসজুড়ে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং ২ থেকে ৩ দিন শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব ঝড়ের সময় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। যেখানে গড় ১১৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার, যা প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।বিশেষ করে সিলেটে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই পরিবর্তনশীল আবহাওয়া কৃষি, জনজীবন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
চলতি মে মাসে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির ও চরম হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়, তীব্র তাপপ্রবাহ এবং কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে।একই সময়ে দেশে এক থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ এবং অন্তত একটি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে তাপমাত্রা ৪১ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশজুড়ে বাড়ছে নিষ্ঠুর অপরাধ মাদকের ভয়াল কিশোর গ্যাং
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মাসজুড়ে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং ২ থেকে ৩ দিন শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব ঝড়ের সময় বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে গড় বৃষ্টিপাত ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। যেখানে গড় ১১৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, সেখানে হয়েছে ১৯৬ মিলিমিটার, যা প্রায় ৭৬ শতাংশ বেশি।বিশেষ করে সিলেটে স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই পরিবর্তনশীল আবহাওয়া কৃষি, জনজীবন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন