রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।সোমবার (৪ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের অভিযানে জাহাঙ্গীর আলম (৪৯) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের পশ্চিম বড়বিল এলাকার আবু বক্করের ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুরের নেতৃত্বে এসআই মশিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ পশ্চিম বড়বিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন , ঈশ্বরদীতে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যকে ছুড়িকাঘাত
স্থানীয়দের অভিযোগ, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার কারণে এলাকার উঠতি বয়সী তরুণদের মধ্যে মাদকের প্রভাব বাড়ছিল। বিষয়টি নিয়ে এর আগে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসন ও থানায় একাধিকবার অভিযোগও করেছিলেন।এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। গঙ্গাচড়াকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা পুলিশের এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : গ্রেপ্তার মাদকবিরোধী মাদক ব্যবসায়ী

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।সোমবার (৪ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশের অভিযানে জাহাঙ্গীর আলম (৪৯) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের পশ্চিম বড়বিল এলাকার আবু বক্করের ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুরের নেতৃত্বে এসআই মশিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ পশ্চিম বড়বিল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন , ঈশ্বরদীতে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যকে ছুড়িকাঘাত
স্থানীয়দের অভিযোগ, জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার কারণে এলাকার উঠতি বয়সী তরুণদের মধ্যে মাদকের প্রভাব বাড়ছিল। বিষয়টি নিয়ে এর আগে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসন ও থানায় একাধিকবার অভিযোগও করেছিলেন।এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, “মাদক নির্মূলে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। গঙ্গাচড়াকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।”অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা পুলিশের এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন