সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা এলাকায় স্কুলছাত্রী আন-নিছা খাতুন মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠন।সোমবার সকাল ১১টায় চান্দাইকোনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মুনিয়া ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মুকিত, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক দীপক কুমার কর, নিজেরা করি সংগঠনের প্রতিনিধি ইদ্দিস আলী, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুক্তাদিরসহ অনেকে।
আরও পড়ুন , সংস্কার কাজের জন্য সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে
বক্তারা অভিযোগ করেন, মুনিয়ার মৃত্যুর পেছনে আত্মহত্যায় প্ররোচনার ঘটনা থাকতে পারে এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দেন, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মুনিয়ার বাড়িতে যান এবং সেখানে তার লেখা একটি অন্তিম চিরকুট সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়।স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা না হলে এলাকায় অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।
বিষয় : মানববন্ধন মুনিয়ার মৃত্যু

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা এলাকায় স্কুলছাত্রী আন-নিছা খাতুন মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সামাজিক সংগঠন।সোমবার সকাল ১১টায় চান্দাইকোনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মুনিয়া ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল মুকিত, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহ্বায়ক দীপক কুমার কর, নিজেরা করি সংগঠনের প্রতিনিধি ইদ্দিস আলী, রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুক্তাদিরসহ অনেকে।
আরও পড়ুন , সংস্কার কাজের জন্য সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে
বক্তারা অভিযোগ করেন, মুনিয়ার মৃত্যুর পেছনে আত্মহত্যায় প্ররোচনার ঘটনা থাকতে পারে এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি হুঁশিয়ারি দেন, দাবি পূরণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা মুনিয়ার বাড়িতে যান এবং সেখানে তার লেখা একটি অন্তিম চিরকুট সংগ্রহ করেন। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যও গ্রহণ করা হয়।স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা না হলে এলাকায় অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন