দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে ৮১ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, দ্রুত শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ডিসি সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সেশন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, ভেজাল ওষুধ ও অপচিকিৎসা রোধে সারা দেশে মোবাইল টিমের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত অনেক হাসপাতাল ভবন এখনও অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এসব স্থাপনা দ্রুত চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ঢাকায় ৩২ জন নিহতের তথ্য
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স সংকট, ওষুধের ঘাটতি, ভেজাল ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ও অপরিকল্পিত ক্লিনিকগুলোতে নজরদারি বাড়াতে মোবাইল টিম সক্রিয় থাকবে, যাতে অপচিকিৎসা ও রোগী হয়রানি বন্ধ করা যায়। তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে মাতৃদুগ্ধ পান বাড়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কাউন্সেলিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন এবং সাপের কামড়ে চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনম সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন, স্পিকারের সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে হাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মৃত্যুহার কমেছে। দ্রুত ১০০ শতাংশ টিকাদান কভারেজ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্লাটুন কমান্ডারসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিষয় : কর্মসূচি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাম

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচিতে ৮১ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, দ্রুত শতভাগ কভারেজ নিশ্চিতের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ ডিসি সম্মেলনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সেশন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, ভেজাল ওষুধ ও অপচিকিৎসা রোধে সারা দেশে মোবাইল টিমের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত অনেক হাসপাতাল ভবন এখনও অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এসব স্থাপনা দ্রুত চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, শাপলা চত্বরের ঘটনায় ঢাকায় ৩২ জন নিহতের তথ্য
ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স সংকট, ওষুধের ঘাটতি, ভেজাল ওষুধ বিক্রি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির মতো বিষয়গুলোও আলোচনায় এসেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অবৈধ ও অপরিকল্পিত ক্লিনিকগুলোতে নজরদারি বাড়াতে মোবাইল টিম সক্রিয় থাকবে, যাতে অপচিকিৎসা ও রোগী হয়রানি বন্ধ করা যায়। তিনি আরও বলেন, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে মাতৃদুগ্ধ পান বাড়ানোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে কাউন্সেলিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। জলাতঙ্ক প্রতিরোধে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন এবং সাপের কামড়ে চিকিৎসায় অ্যান্টিভেনম সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন, স্পিকারের সঙ্গে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে হাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মৃত্যুহার কমেছে। দ্রুত ১০০ শতাংশ টিকাদান কভারেজ নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদারে আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্লাটুন কমান্ডারসহ ১০ জন করে আনসার সদস্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন